আজকাল ওয়েবডেস্ক: ইডেনে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং নেয় রাজস্থান রয়্যালস। আর ২০ ওভারে তারা তুলল ৯ উইকেটে ১৫৫ রান। কলকাতা কি জয়ের মুখ আজ দেখবে? সময় এর উত্তর দেবে। রাজস্থানের মতো বিস্ফোরক দলকে ১৫৫ রানে আটকে রাখা গিয়েছে। এর পিছনে অবদান কেকেআর বোলারদের। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে এই রান খুব একটা নয়। নাইট ব্যাটাররা কী করেন সেটাই দেখার।
বিশ্বেসরা বোলারদের শুরু থেকেই আক্রমণের রাস্তা নিচ্ছেন বৈভব সূর্যবংশী। জশপ্রীত বুমরাহর মতো বিশ্বসেরা চ্যাম্পিয়ন বোলারকে প্রথম বলেই ছক্কা মারেন। ইডেনে তাঁর দিকেই ছিল নজর। সূর্যবংশী অন্য দিনের মতো মারমুখী শুরু করতে পারেননি এদিন। বলা ভাল ইনিংসের শুরুতে রাজস্থানের দুই ওপেনার বৈভব সূর্যবংশী ও যশস্বী জয়সওয়ালকে চাপে রাখেন কেকেআরের পেসাররা। লেন্থ বলের কৌশলে শুরুতে রান তুলতে সমস্যায় পড়েন তাঁরা।
সুনীল নারিন, বরুণ চক্রবর্তী, কার্তিক ত্যাগীরা উইকেট নিয়ে রাজস্থানের রানের গতি কমালেও বৈভব অরোরা কিন্তু রান দেন। এক ওভারেই তিনটি চার হজম করেন তিনি। চতুর্থ ওভারে প্রথম ছক্কা হাঁকিয়ে হাত খোলেন বৈভব, অন্যদিকে যশস্বী ছিলেন তুলনামূলকভাবে ধীর স্থির।
পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে ক্যামেরন গ্রিনের এক ওভারে আসে ২২ রান, ফলে ৬ ওভারে রাজস্থানের রান দাঁড়ায় বিনা উইকেটে ৬৩। গ্রিন এদিন বল করলেন। ২ ওভারে ২৭ রান দিলেন অজি তারকা।
৮১ রানে প্রথম উইকেট হারায় রাজস্থান। বরুণ চক্রবর্তীর বলে ছক্কা মারতে গিয়ে লং অনে ক্যাচ দেন বৈভব সূর্যবংশী। ২৮ বলে ৪৬ রান করেন তিনি।
ধ্রুব জুরেল আবার নাইট স্পিনার বরুণের বলে রিভার্স সুইপ খেলতে গিয়ে মিস করে বসেন। উইকেটরক্ষক টিম সেইফার্ট দ্রুত স্টাম্প ভেঙে দেন। ৯৭ রানে দ্বিতীয় উইকেট পড়ে রাজস্থানের।
এরপর সুনীল নারিনের শিকার হন যশস্বী জয়সওয়াল। ২৯ বলে ৩৯ রান করেন তিনি। ৯৯ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় রাজস্থান। অধিনায়ক রিয়ান পরাগও বেশি সময় টিকতে পারেননি। বরুণ চক্রবর্তীর বলে বড় শট খেলতে গিয়ে বোল্ড হয়ে ফেরেন তিনি।
বরুণ এবং সুনীল নারিন রাজস্থানের ব্যাটিং লাইনআপে ধস নামান। বরুণ চক্রবর্তী ১৪ রানে তিনটি উইকেট নেন। অন্যদিকে নারিনও ৪ ওভার হাত ঘুরিয়ে ২টি উইকেট নেন। অন্যদিকে কার্তিক ত্য়াগী বল হাতে বিপজ্জনক হয়ে ওঠেন। এক ওভারে তিনি তিনটি উইকেট নেন।
বিপজ্জনক রবীন্দ্র জাদেজাকে ফেরান কার্তিক ত্যাগী। শিমরন হেটমায়ার যে কোনও সময়ে ম্যাচের রং বদলে দিতে পারেন। তিনি ক্যারিবিয়ান বাঁ হাতি মাত্র ১৫ রানে ফিরে যান কার্তিক ত্যাগীর বলে। একই ওভারে বিষ্ণোইকে ফেরান ত্যাগী। একই ওভারে তিন উইকেট নেন নাইট পেসার।
পরপর উইকেট হারানোর ফলে রাজস্থানের রানের গতি থমকে যায়। বড় সড় রান করতে পারেনি তারা। ১৫৫ রানে থামে রাজস্থান।















