আজকাল ওয়েবডেস্ক: বছরটা ২০০৮। বিরাট কোহলির নেতৃত্বে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জেতে ভারত। নতুন নায়ক পায় ভারতীয় ক্রিকেট। এই জয় কোহলিকে প্রচারের আলোয় নিয়ে আসে। তার ১৮ বছর পর আধুনিক ক্রিকেটের অন্যতম সেরা ব্যাটারদের তালিকায় কোহলি। তবে ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে যে ম্যাচের সেরা হয়েছিলেন, তিনি আর ক্রিকেট খেলান না। মাত্র ৭ রানে জোড়া উইকেট নেন অজিতেশ আর্গল। বিশ্বকাপ জয়ে মুখ্য ভূমিকা নেন। আইপিএলের প্রথম বছর তাঁকে কেনে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব। কিন্তু তেমন সুবিধা করতে পারেননি। ইনকাম ট্যাক্স বিভাগে কাজ করার পর বিসিসিআইযের আম্পায়ারের পরীক্ষা দেন। ২০২৬ আইপিএলে আম্পায়ার হিসেবে হাতেখড়ি হয়।
রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু এবং দিল্লি ক্যাপিটালস ম্যাচে আরও একবার মাঠ ভাগ করে নেন কোহলি এবং অজিতেশ। তাঁদের কথোপকথন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। আরসিবির জয়ের পর এককালীন সতীর্থের সঙ্গে আলোচনা করতে দেখা যায় বিরাটকে। যা দেখে মুগ্ধ ক্রিকেট ভক্তরা। সবাই ফিরে যান ২০০৮ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে। ফের দুই পুরোনো সতীর্থের মেলবন্ধন মন কেড়েছে ক্রিকেট ভক্তদের। কোহলির ধারাবাহিকতার প্রশংসা করেন মিচেল ম্যাকগ্লেনাগেন। জস হ্যাজলউড এবং ভুবনেশ্বর কুমারের দাপটে মাত্র ৭৫ রানে শেষ হয়ে যায় দিল্লির ইনিংস। চলতি আইপিএলে সর্বনিম্ন রান।
কোহলির ভূয়সী প্রশংসা করেন আইপিএলের প্রাক্তন তারকা। ম্যাকগ্লেনাগেন বলেন, 'বিরাট কোহলি খুবই ধারাবাহিক। বিশ্বের সেরা বোলারদের বিরুদ্ধে ৯০০০ রান করা বড় নয়। রানের খিদে অব্যাহত। প্রতি বছর নতুন পরিবেশ এবং পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিচ্ছে। ২০০৮ সাল থেকে আইপিএলে খেলছে। আসল বিষয় হল, ও ওপেনার হিসেবে কেরিয়ার শুরু করেনি। লোয়ার মিডল অর্ডারে ব্যাট করেছে। তারপর তিনে নামে। তারপর গেইলের সঙ্গে ওপেন করে। সেটা ওর খেলা সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছে। নিঃসন্দেহে শীঘ্রই ১০,০০০ রানে পৌঁছে যাবে।'















