আজকাল ওয়েবডেস্ক: সাল ২০২৫। আইপিএল জিতেছিল আরসিবি। সেটাই প্রথম। এর ফলে উচ্ছ্বাস থাকাটাই স্বাভাবিক। কিন্তু ঘটে গিয়েছিল এক অনভিপ্রেত ঘটনা।
১১ সমর্থকের মৃত্যুর ঘটনা এখনও তাজা। তার মধ্যেই আবার বেঙ্গালুরুর চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামের নিরাপত্তা নিয়ে উঠল প্রশ্ন। অবৈধ দুই কর্মী স্টেডিয়ামের সিসিটিভির তার কেটে দিলেন। বিষয়টি সামাল দেওয়া গেলেও কীভাবে তাঁরা সুরক্ষিত জায়গায় ঢুকে কাজটি করলেন তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বেঙ্গালুরুতে প্লে–অফের ম্যাচ দেওয়া হবে কি না তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার বেঙ্গালুরু বনাম গুজরাট ম্যাচের দিন। পুলিশের দাবি, স্টেডিয়ামের সিসিটিভি ক্যামেরা নজরদারির দায়িত্বে যে সংস্থা, তাদের দুই কর্মী মঞ্জুনাথ এবং আব্দুল কালাম অবৈধভাবে স্টেডিয়ামের সিসিটিভি সার্ভার ঘরে ঢুকে পড়েন। তারা একটি নিষ্ক্রিয় কার্ড কাজে লাগিয়েছিলেন। বৈধ পাস কারও কাছেই ছিল না। তবু নিরাপত্তা ভেঙে ভেতরে ঢুকতে অসুবিধা হয়নি।
ভেতরে গিয়ে তারা ফাইবার এবং আরও কিছু তার কেটে দেন। সঙ্গে সঙ্গে স্টেডিয়ামের গুরুত্বপূর্ণ জায়গার সিসি ক্যামেরাগুলি নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়। তার মধ্যে প্রবেশের গেট, কনকোর্স এলাকা, ডি কর্পোরেট স্ট্যান্ড এবং স্টেডিয়ামজুড়ে বিভিন্ন জায়গায় লাগানো ক্যামেরা ছিল। ফলে সিসি ক্যামেরা দিয়ে স্টেডিয়ামের গুরুত্বপূর্ণ জায়গার নজরদারি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। বিষয়টি টের পেয়েই বিকল্প ব্যবস্থা নেয় পুলিশ। প্রযুক্তির সাহায্যে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া সময়ের ফুটেজও পুনরুদ্ধার করা হয়। পরে কার্বন পার্ক থানায় অভিযোগ জানানো হয়। তদন্ত চলছে। দুই কর্মীকেও হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করে জানার চেষ্টা চলছে কেন তাঁরা এ কাজ করেছিলেন। এর নেপথ্যে কোনও জঙ্গি এবং অপরাধমূলক সংগঠন জড়িয়ে রয়েছে কি না তা-ও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
এটা ঘটনা, কিছু দিন আগেই স্টেডিয়ামের বাইরে টিকিটের কালোবাজারি হচ্ছিল। তা পুলিশ ধরে ফেলে। চন্দ্রশেখর নামে এক ক্যান্টিনকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর থেকে ১০০ টি টিকিট পাওয়া যায়, যা তিনি বহুগুণ দামে বিক্রি করছিলেন।
এদিকে, পর পর দু’টি ঘটনায় চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। যদিও আরসিবি–র আর কোনও ম্যাচ নেই এই মাঠে। তারা বাকি দু’টি হোম ম্যাচ খেলবে রায়পুরে। তবে প্লে–অফ খেলতে চিন্নাস্বামীতে ফিরতে হতে পারে। ফাইনালও হতে পারে গত বারের চ্যাম্পিয়নদের ঘরের মাঠে।















