আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ মুন্না সিং। ভারতীয় মহিলা দলের ক্রিকেটার ক্রান্তি গৌরের বাবা। মুন্না সিং কাজ করতেন পুলিশের কনস্টেবল পদে। ২০১২ সালে সেই চাকরি চলে গিয়েছিল। কিন্তু মেয়ে বিশ্বকাপ জিততেই চাকরি ফিরে পেলেন বাবা।


গত বছরের নভেম্বরে প্রথমবার বিশ্বকাপ জিতেছিল হরমনপ্রীত কৌরের ভারত। সেই দলের অন্যতম সদস্য ক্রান্তি গৌড়ের বাবাকে কনস্টেবলের চাকরিতে আবার ফিরিয়ে আনা হয়েছে। মধ্যপ্রদেশের ক্রীড়ামন্ত্রী বিশ্বাস সারাং জানিয়েছেন, পুলিশের চাকরিতে ফের যোগ দিতে পারবেন ক্রান্তির বাবা মুন্না সিং। প্রসঙ্গত, ২০১২ সালে কনস্টেবলের চাকরি থেকে মুন্না সিংকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল।


মধ্যপ্রদেশের ক্রীড়ামন্ত্রী বিশ্বাস সারাং এই সুখবর জানিয়েছেন। মুন্না সিং মধ্যপ্রদেশ পুলিশ কনস্টেবলের চাকরি করতেন। কিন্তু নির্বাচনের কাজে গাফিলতির জন্য ২০১২ সালে তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল। এতদিন ধরে সেই বিষয়টি পড়েছিল। মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদবের উদ্যোগে অবশেষে বিষয়টির সমাধানসূত্র বেরিয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে মধ্যপ্রদেশ পুলিশের হেড কোয়ার্টার থেকে মুন্না সিংকে কাজে যোগ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এটা ঘটনা, কাজ যাওয়ার পর সংসার চালাতে বাস কন্ডাক্টরের চাকরিও করতে হয়েছে মুন্না সিংকে। আর সেই লড়াইয়ের যোগ্য দাম দিয়েছেন মেয়ে। বিশ্বকাপে ৮ ম্যাচে ৯ উইকেট নিয়েছেন তিনি।


বিশ্বজয়ী ক্রান্তিকে সংবর্ধনা দেওয়ার সময় মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব বলেন, ‘‌আপনার পরিবারের অসুবিধার কথা জানতে পেরেছি। রাজ্য সরকারের কাছে আবেদন করার নিয়ম রয়েছে। আমরা নিয়ম অনুসারে আপনার বাবার চাকরি পুনর্বহাল করব।’‌ সেই প্রতিশ্রুতি অবশেষে পূরণ করেছে মধ্যপ্রদেশ সরকার। যাবতীয় প্রক্রিয়া শেষে ক্রান্তির বাবাকে কনস্টেবলের পদে আবারও ফিরিয়ে আনা হয়েছে। 


ক্রান্তির বাবার চাকরি ফেরার খবর জানিয়ে মধ্যপ্রদেশের ক্রীড়ামন্ত্রী বলেন, ‘‌এই পদক্ষেপে ওই পরিবারে স্বস্তি ফিরবে। এই সরকার যে অ্যাথলিটদের প্রতি সম্মান করে, এটা তারই উদাহরণ। ক্রান্তির স্বপ্ন ছিল, উর্দি পরে সসম্মানে অবসর নেবেন তাঁর বাবা। সেই স্বপ্নও পূরণ হবে এবার।’‌


প্রসঙ্গত, ৫০ ওভারের বিশ্বকাপের পর সদ্য সমাপ্ত শ্রীলঙ্কা সিরিজে বেশ ভাল পারফর্ম করেছেন ক্রান্তি। এবার টি–২০ বিশ্বকাপে ভাল পারফর্ম করতে চান ক্রান্তি।