আজকাল ওয়েবডেস্ক: টি–২০ বিশ্বকাপে নিজের নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি অভিষেক শর্মা। গোটা টুর্নামেন্টে মাত্র দুটো অর্ধশতরান। যার একটা সুপার এইটে জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে। অন্যটি ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে। ফাইনালেই অভিষেককে মেজাজে পাওয়া গিয়েছিল। মাত্র ১৮ বলে করেছিলেন ৫০। তার আগে সাত ম্যাচে অভিষেকর সংগ্রহ ছিল মাত্র ৮৯।
কিন্তু ফাইনালে তিনি চমকে দেন। আর সেকারণেই অভিষেককে বড় ম্যাচের ঘোড়া বলেছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন উইকেটকিপার ব্র্যাড হ্যাডিন। মজা করে বলেছেন ‘রাস্কেল’।
হ্যাডিন বলেছেন, ‘আমি অভিষেকের বড় ভক্ত। গোটা টুর্নামেন্টে ওঁর ফর্ম নিয়ে কথা হয়েছে। তিনটে ম্যাচে শূন্য করেছে। আমার কিন্তু অভিষেককে চাপে ছিল মনে হয়নি। আসলে ও একটা ‘রাস্কেল’। যে বড় ম্যাচে জ্বলে ওঠে। আর প্রতিপক্ষের উপর চাপ সৃষ্টি করে। ফাইনালে ঠিক সেই কাজটাই করেছে অভিষেক।’
নিউজিল্যান্ডের প্রশংসা করলেও ফাইনালে বারবার ব্যর্থতা নিয়ে হ্যাডিন বলছেন, ‘নিউজিল্যান্ড আবারও ভাল খেলে ফাইনালে উঠল ও হারল। ফিন অ্যালেন ও টিম সেইফার্টের ব্যাটার রয়েছে দলে। কিন্তু ফাইনালে ওরা ব্যর্থ হল।’
প্রসঙ্গত, টুর্নামেন্টে অভিষেকের সংগ্রহ ১৪১ রান। তারপরেও টি–২০ র্যাঙ্কিংয়ে ব্যাটারদের তালিকায় তিনি এক নম্বরেই রয়েছেন।
এদিকে, গৌতম গম্ভীর প্রথম ভারতীয় কোচ যিনি দুটো আইসিসি ট্রফি জিতলেন। ২০২৫ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পর ২০২৬ সালে টি–২০ বিশ্বকাপ। কিন্তু দেশের প্রাক্তন অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলি মনে করছেন, গম্ভীরের আসল পরীক্ষা কিন্তু ২০২৭ সালে ৫০ ওভারের বিশ্বকাপেই।
এক সাক্ষাৎকারে সৌরভ বলেছেন, ‘২০২৭ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপেই আসল পরীক্ষা গম্ভীরের। ওখানকার পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়াটাই চ্যালেঞ্জিং। তবে গম্ভীরের হাতে যে দল রয়েছে তাতে আশাবাদী ঠিক সামলে নেবে।’
২০২৩ সালে ফাইনালে এসেও কাপ আসেনি। অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে যেতে হয়েছিল। ফাইনালের আগে অবধি অপরাজিত ছিল টিম ইন্ডিয়া। কিন্তু কাপ আসেনি। একটা ম্যাচ হারই সব শেষ করে দেয়।
এদিকে, ক্রিকেটার গম্ভীর ২০০৭ সালে টি–২০ বিশ্বকাপ জেতার পাশাপাশি ২০১১ সালে একদিনের বিশ্বকাপ জিতেছিলেন। দুই ফাইনালেই কিন্তু সর্বোচ্চ রান এসেছিল গম্ভীরের ব্যাট থেকে।
