আজকাল ওয়েবডেস্ক: অনেক প্রত্যাশা নিয়ে ভারতীয় দলের কোচের চেয়ারে বসেছিলেন গৌতম গম্ভীর। কিন্তু দিন কয়েক যেতে না যেতেই বাস্তবের রুখা সুখা জমিতে আছড়ে পড়লেন গম্ভীর। বুঝে গেলেন, ফ্র্যাঞ্জাইজি ক্রিকেট আর জাতীয় দলে কোচিং করানো এক ব্যাপার নয়।
ভারতীয় ক্রিকেটের দুঃসময়ে অনেকেই লাল ও সাদা বলের ফরম্যাটে পৃথক পৃথক কোচ রাখার পক্ষপাতী। ইংল্যান্ডের প্রাক্তন স্পিনার মন্টি পানেসরও টেস্ট ও সীমিত ওভারের ক্রিকেটে ভিন্ন ভিন্ন কোচের হয়েই ভোট দিচ্ছেন। পানেসর বলেছেন, ''ভিন্ন ভিন্ন কোচ হলে ভাল হয়। ভারতীয় ক্রিকেটের জন্যই ভাল।''
পানেসর মনে করেন, গম্ভীর এই দলের অনেকের সঙ্গেই খেলেছেন। ফলে এখন যাঁরা খেলছেন, তাঁদের মনে হতেই পারে, আরে, ও তো আমার সঙ্গে খেলেছে। ও এখন আমাদের বলছে, কীভাবে খেলা উচিত? পানেসরের মতে, ''গম্ভীর সদ্য কোচ হয়েছে। তার উপরে দলের অনেকে গম্ভীর সম্পর্কে এমন ভাবতেই পারে যে কয়ক বছর আগে তো আমার সঙ্গেই ও খেলেছে। এখন ও কোচ হয়েছে আমাদের। বেশিদিন হয়নি ও দায়িত্ব নিয়েছে। অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডে গম্ভীরের পারফরম্যান্স ভাল নয়।''
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে গম্ভীর মাত্র চারটি টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন। আটটি ইনিংসে ১৮১ রান করেন। পানেসর বলছেন, ''নির্বাচকদের এখন গম্ভীরকে নিয়ে ভাবা উচিত। ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে মনোনিবেশ করবে গম্ভীর নাকি ওর সঙ্গে আরও কাউকে জুড়ে দেওয়া হবে? হতে পারে গম্ভীরের উপরে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ফরম্যাট ছেড়ে দেওয়া হল আর ভিভিএস লক্ষ্মণকে টেস্ট দল ছেড়ে দেওয়া হল। আবার গম্ভীরের সাহায্যের জন্য লক্ষ্মণকে ব্যাটিং কোচ করে দেওয়া হল। দ্রাবিড়ের মতোই লক্ষ্মণ। আমার মতে, ভারতীয় কোনও কিংবদন্তিকে দায়িত্ব দেওয়া ৃ হোক। সেরকম কেউ এলে সহজেই ড্রেসিং রুমের শ্রদ্ধা আদায় করে ফেলবে।''
পানেসরের কথা কি শুনবেন নির্বাচকরা?
















