আজকাল ওয়েবডেস্ক: ব্রাজিলের হেক্সা-স্বপ্ন থামিয়ে শেষ হাসি হাসলেন নরওয়ের আর্লিং হলান্ড। শেষ ষোলোর লড়াইয়ে ২–১ গোলে জিতে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিদায় করে দিল নরওয়ে। আর সেই সঙ্গে ব্রাজিলের বিপক্ষে নিজেদের দুর্দান্ত রেকর্ডও অক্ষুণ্ণ রাখল ইউরোপের দলটি।
বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর আগে চারবার মুখোমুখি হয়েও ব্রাজিলকে হারেনি নরওয়ে। এবার সেই ইতিহাস আরও সমৃদ্ধ করল তারা। পাঁচ দেখায়ও জয়ের দেখা পেল না ব্রাজিল। নরওয়ের এটি তৃতীয় জয়, বাকি দুটি ম্যাচ ড্র।
ম্যাচজুড়ে একের পর এক সুযোগ তৈরি করেও তার সদ্ব্যবহার করতে পারেনি ব্রাজিল। ১৪ মিনিটে মাতেউস কুনিয়ার ওপর ফাউলের পর ভিএআরের সহায়তায় পেনাল্টি পায় সেলেকাওরা। কিন্তু স্পট কিক থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন ব্রুনো গিমারাইস। নরওয়ের গোলরক্ষক ওরিয়ান নিল্যান্ড দুর্দান্ত সেভ করে দলকে রক্ষা করেন। বিশ্বকাপে (টাইব্রেকার বাদে) গত ৪০ বছরে প্রথম ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার হিসেবে পেনাল্টি মিস করার তিক্ত রেকর্ডও গড়েন তিনি।
প্রথমার্ধে ভিনিসিয়াস জুনিয়র, মাতেউস কুনিয়া ও রায়ানের একাধিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয় নিল্যান্ডের অসাধারণ গোলকিপিংয়ে। অন্যদিকে নরওয়ের আক্রমণও কয়েকবার ঠেকিয়ে দেন আলিসন। গোলশূন্য সমতায় বিরতিতে যায় দুই দল।
দ্বিতীয়ার্ধে গোলের খোঁজে একের পর এক পরিবর্তন আনেন ব্রাজিল কোচ। মাঠে নামানো হয় এনদ্রিক, নেইমার ও দানিলোকে। এনদ্রিক নেমেই দারুণ একটি সুযোগ পেলেও তা কাজে লাগাতে পারেননি। রায়ানের দূরপাল্লার শটও ঠেকিয়ে দেন নিল্যান্ড।
অন্যদিকে অপেক্ষায় ছিল নরওয়ে। আর ৭৯ মিনিটে সেই অপেক্ষার অবসান ঘটান আর্লিং হলান্ড। দুর্দান্ত এক হেডে আলিসনকে পরাস্ত করেন তিনি। সেই হালান্ড ফের গোল করে ব্রাজিলের কফিনে শেষ পেরেকটি পুঁতে দিলেন। খেলার শেষ লগ্নে পেনাল্টি থেকে নেইমার গোল করে ব্যবধান কমান।
শেষ পর্যন্ত গোল নষ্ট আর পেনাল্টি নষ্টের বড় মূল্যই দিতে হল ব্রাজিলকে। সুযোগ কাজে লাগাতে না পারার খেসারত দিয়ে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিল পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নরা। আর হালান্ডের হাসিতে উচ্ছ্বসিত নরওয়ে পৌঁছে গেল কোয়ার্টার ফাইনালে।















