আজকাল ওয়েবডেস্ক: বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় একদিকে হালান্দ। অন্যদিকে গ্যাব্রিয়েল। একজন গোল করায় সিদ্ধহস্ত। অন্যজন স্ট্রাইকারকে নিরস্ত করায়। দুই তারকার লড়াই আগেও দেখা গিয়েছে। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে বহুবার দেখা গিয়েছে হালান্ড ও গ্যাব্রিয়েলের লড়াই। এবার বিশ্বকাপের শেষ ১৬-য় সেই লড়াই ফের দেখা যাবে। হালান্ড গোলের জন্য চেষ্টা করবেন। আর গ্যাব্রিয়েল তাঁকে থামানোর জন্য মরিয়া হয়ে উঠবেন।
চলতি বিশ্বকাপ ব্যক্তিগত লড়াই দেখেছে। লিও মেসি ও ভোজিনহার দুর্দান্ত লড়াই দেখেছে ফুটবলবিশ্ব। এবার হালান্ড ও গ্যাব্রিয়েলের দ্বৈরথ দেখবে ফুটবলবিশ্ব।
অনেকের মতে এই লড়াই আকর্ষণীয়। এই লড়াই দেখার জন্যই দর্শকরা অপেক্ষায় করেন। লিওনেল মেসি, কিলিয়ান এমবাপে, হ্যারি কেন বা হালান্ডের মতো তারকারা গোল করেন আর সেই গোল দেখে চায়ের পেয়ালায় তুফান ওঠে। কিন্তু তারকাদের থামানোর জন্য প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারের চেষ্টাও কিন্তু নজর কেড়ে নেয়। ম্যাচের উপরেও বড় প্রভাব ফেলে।
ফুটবল সম্পর্কে ওয়াকিবহাল মহল মনে করে হালান্ড ও গ্যাব্রিয়েল দু'জনেই জেদি মানসিকতার। দুজনেই জিততে চান। কেউ কাউকে পছন্দ করেন না। সেই কারণেই গ্যাব্রিয়েল ও হালান্ডের ব্যক্তিগত লড়াই হয়ে ওঠে দর্শনীয়। আকর্ষণীয়। ব্রাজিল বিশ্বচ্যাম্পয়ন। সেই ব্রাজিল কিন্তু নরওয়ের বিরুদ্ধে জিততে পারেনি। ইতিহাস বদলের সুযোগ রয়েছে ব্রাজিলের সামনে। সেই আবহেই হালান্ড ও গ্যাব্রিয়েলের লড়াইয়ের পারদ চড়ছে।
হালান্ড ও গ্যাব্রিয়েলের লড়াইয়ের শুরু ২০২৪ সালে। প্রিমিয়ার লিগে ম্যাঞ্চেস্টার সিটি ও আর্সেনালের ম্যাচে এই লড়াইয়ের সূত্রপাত। খেলার শেষের দিকে গ্যাব্রিয়েলের মাথায় বল ছুড়ে মেরেছিলেন হালান্ড। আর্সেনালের কোচকে উদ্দেশ্য করে মন্তব্য করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছিলেন হালান্ড। পরের বছর ম্যাঞ্চেস্টার সিটিকে ৫–১ গোলে হারানোর ম্যাচে হালান্ডের সামনে গিয়ে চিৎকার জুড়ে দেন গ্যাব্রিয়েল।
এরপরও দু'জনের মধ্যে লড়াই থামেনি। চলেছে উত্তেজনা। ধাক্কাধাক্কি করেছেন। আবার পারস্পরিক মন্তব্য করে চর্চায় উঠে এসেছেন।
বিশ্বকাপে নরওয়েল-ব্রাজিল ম্যাচের পাশাপাশি হালান্ড ও গ্যাব্রিয়েলের লড়াই ঘিরেও পারদ চড়তে শুরু করে দিয়েছে। মাঠে দুই তারকা কী করেন সেটাই দেখার।















