আজকাল ওয়েবডেস্ক: কিলিয়ান এমবাপের পেনাল্টিতে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে ফ্রান্স। প্যারাগুয়েকে ১-০ গোলে হারায় দিদিয়ের দেশঁর দল।
তবে শেষ বাঁশি বাজার পর মাঠে ঘটে যায় অপ্রীতিকর ঘটনা। প্যারাগুয়ের গোলরক্ষক অরল্যান্ডো গিল ও কিলিয়ান এমবাপের মধ্যে সমস্যা তৈরি হয়।
ম্যাচ শেষ হওয়ার পর এমবাপেকে অভিনন্দন জানাতে এগিয়ে এসে করমর্দনের জন্য হাত বাড়ান গিল। তবে ফ্রান্স অধিনায়ক তখন সতীর্থদের সঙ্গে উদযাপনে ব্যস্ত থাকায় তাঁকে উপেক্ষা করে চলে যান।
এতে ক্ষুব্ধ হয়ে গিল এমবাপের পিঠ বল ছুড়ে মারেন। যদিও এমবাপে কোনও প্রতিক্রিয়া দেখাননি।
পুরো ম্যাচজুড়েই প্যারাগুয়ে শক্ত রক্ষণ, শারীরিক লড়াই এবং ঘন ঘন ফাউলের মাধ্যমে ফ্রান্সকে চাপে রাখার চেষ্টা করে। দক্ষিণ আমেরিকার দলটির রক্ষণ ভাঙতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয় ফ্রান্সকে।
পেনাল্টি থেকে গোল করে ফ্রান্সকে এগিয়ে দেন এমবাপে। তাঁর গোলসংখ্যা এখন সাত।
ম্যাচ শেষে ফ্রান্সের কোচ দিদিয়ের দেশঁ বলেন, ''সহজ ম্যাচ ছিল না। জয়ের জন্য সব ধরনের কৌশল প্রয়োগ করেছে প্যারাগুয়ে। হয়তো এমন ফুটবল দর্শকদের খুব বেশি আনন্দ দেয় না, কিন্তু প্যারাগুয়ে দারুণ রক্ষণ সামলেছে। দক্ষিণ আমেরিকার দলগুলোর বিপক্ষে খেলাটা সব সময়ই কঠিন।''
এমবাপেও কোচের সঙ্গে একমত, ''আমরা জানতাম কী ধরনের ম্যাচ আমাদের অপেক্ষা করছে। প্রয়োজনে কঠিন ও শারীরিক লড়াইয়ের ফুটবল খেলতেও আমরা প্রস্তুত। প্যারাগুয়ে ভেবেছিল আমরা শুধু সুন্দর ফুটবল খেলতে এসেছি, কিন্তু আমরা লড়াই করতেও জানি। যেভাবেই ওরা খেলুক, শেষ পর্যন্ত আমরাই ভাল দল ছিলাম এবং জয় পেয়েছি।''
ম্যাচ-পরবর্তী ঘটনার জন্যও দুঃখ প্রকাশ করেছেন গিল। তিনি বলেন, ''আমি এমবাপেকে অভিনন্দন জানাতে হাত বাড়িয়েছিলাম, কিন্তু এমবাপে আমাকে দেখেইনি। মুহূর্তের আবেগ ও হতাশা থেকে আমি বলটি ছুড়ে মেরেছিলাম। পরে নিজেকে শান্ত করি। আমার উদ্দেশ্য ছিল শুধু এমবাপেকে অভিনন্দন জানানো।''
কোয়ার্টার ফাইনালে এখন ফ্রান্সের প্রতিপক্ষ মরক্কো। অন্যদিকে, শেষ ষোলো থেকেই বিদায় নিতে হল প্যারাগুয়েকে।















