আজকাল ওয়েবডেস্ক: গুডিসন পার্কে শেষ প্রিমিয়ার লিগ ম্যাচে সাউদাম্পটনকে ২-০ গোলে হারিয়ে স্মরণীয় মুহূর্ত তৈরি করলেন এভারটনের ফুটবলাররা। দুটি গোল করে এই বিশেষ ম্যাচ স্মরণীয় করে রাখলেন সেনেগাল তারকা ইলিমান এনদিয়ায়ে। ১৮৯২ সাল থেকে এভারটনের পুরুষ দলের ঘরের মাঠ হিসেবে ব্যবহৃত গুডিসন পার্ক এখন থেকে শুধুমাত্র এভারটনের মহিলা দলের হোমগ্রাউন্ড হিসেবে ব্যবহৃত হবে। পুরুষ দল চলে যাচ্ছে নতুন ৫২,০০০ ধারণক্ষমতা সম্পন্ন স্টেডিয়ামে, যা নির্মিত হয়েছে লিভারপুলের ডকল্যান্ড এলাকায়।

ঐতিহাসিক দিনে মাঠে উপস্থিত ছিলেন এভারটনের অতীতের কিংবদন্তিরাও। যার মধ্যে ছিলেন ইংল্যান্ডের প্রাক্তন অধিনায়ক ও এভারটনের প্রাক্তন স্ট্রাইকার ওয়েন রুনি। ম্যাচ শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগেই গুডিসনের আশপাশের রাস্তা ঢেকে গিয়েছিল নীল ধোঁয়ায়। হাজার হাজার এভারটন সমর্থক টিকিট ছাড়াও স্টেডিয়ামের বাইরে উপস্থিত হয়েছিলেন। শেষবারের মতো তাঁদের ভালবাসার মাঠকে বিদায় জানাতে ভিড় জমেছিল স্টেডিয়ামের বাইরে। গত তিন দশকে কোনও বড় ট্রফি না জিতলেও গুডিসন পার্ক এভারটনের গৌরবময় অতীতের সাক্ষী। ইংল্যান্ডের প্রথম সারির লিগে শুধু চারটি ক্লাব আছে যাঁরা টপকাতে পেরেছে এভারটনের ন’টি শিরোপার রেকর্ডকে।

এভারটনের ম্যানেজার ডেভিড ময়েস জানান, ‘এটা বিদায়ের সময় ঠিকই। তবে আমরা এমন এক নতুন জায়গায় যাচ্ছি যা আমাদের ভবিষ্যতের জন্য আরও বড় সুযোগ এনে দেবে’। আর্থিক সমস্যায় জর্জরিত এভারটন সম্প্রতি রেলিগেশন থেকে বাঁচার লড়াই করে আসছে। গুডিসনের রবিবারের ম্যাচ ছিল ক্লাবের ২৭৯১তম হোম ম্যাচ। ম্যাচের শুরুতেই ছ’মিনিটের মাথায় এনদিয়ায়ে অসাধারণ কার্লে এভারটনকে এগিয়ে দেন। হাফ টাইমের আগেই দ্বিতীয় গোলটি করেন তিনি। সাউদাম্পটন গোলকিপার অ্যারন র্যা মসডেলকে কাটিয়ে ঠাণ্ডা মাথায় বল জালে পাঠান। দ্বিতীয়ার্ধে উল্লেখযোগ্য কিছু না ঘটলেও ‘গ্র্যান্ড ওল্ড লেডি’ হিসেবে খ্যাত গুডিসন পার্কের স্মৃতি হৃদয়ে তোলা থাকল এমনই জানাচ্ছেন এভারটন সমর্থকরা।