আজকাল ওয়েবডেস্ক: বয়স শুধু সংখ্যামাত্র। এই কথাটা ক্রিকেট মাঠে সবচেয়ে বেশি সত্যি করে দেখান বিরাট কোহলি। ৩৭ বছর বয়সেও তাঁর দৌড় যেন তরুণদের হার মানায়। উইকেটের মাঝে সেই ক্ষিপ্রতা, ফিল্ডিংয়ে সেই আগুনে তেজ, আর ব্যাট হাতে ছক্কা হাঁকানোর সহজাত ক্ষমতা। সব মিলিয়ে কোহলি যেন এক অনন্ত শক্তির নাম।
পরপর দুই ম্যাচে শূন্য রানে আউট হওয়ার পর অনেকেই আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেন। সমালোচনার ঝড় ওঠে, প্রশ্ন ওঠে ফর্ম নিয়ে। অথচ কোহলি যেন অন্য ধাতুতে গড়া। তিনি জানেন কীভাবে ব্যর্থতা থেকে শক্তি সঞ্চয় করতে হয়। মানসিক দৃঢ়তা কোহলিকে ভিনগ্রহের ক্রিকেটার তৈরি করে দিয়েছে। দুই ম্যাচে শূন্য করার পরের ম্যাচেই শতরান হাঁকান কোহলি। সেই সেঞ্চুরি প্রমাণ করে, কেন তাঁকে আধুনিক ক্রিকেটের সেরা ব্যাটসম্যানদের একজন বলা হয়। কেন তাঁকে চেজমাস্টার বলা হয়।
কোহলির ব্যাটিং শুধু রান করার গল্প নয়, এটা প্রত্যাবর্তনের গল্পও।
আজকের ক্রিকেটে যেখানে ফিটনেস, ধারাবাহিকতা আর মানসিক দৃঢ়তা সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ, সেখানে কোহলি যেন এক জীবন্ত অনুপ্রেরণা। তাঁর চোখে এখনও জয়ের ক্ষিদে, শরীরে এখনও তারুণ্যের উদ্যম, আর মনে এখনও সেই অদম্য বিশ্বাস, 'আমি ফিরবই।'
এই কারণেই বিরাট কোহলি শুধু একজন ক্রিকেটার নন, তিনি বাকিদের থেকে অনেক এগিয়ে।
নাইটদের বিরুদ্ধে ১০৫ রানের ইনিংস খেলেন কোহলি। এই ইনিংসের সুবাদেই তিনি ম্যাচের সেরার পুরস্কার জেতেন।
ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে কোহলি বলেন, তিনি এখনও ব্যাটিং ভীষণ উপভোগ করেন এবং মাঠে নিজের সবটুকু উজাড় করে দেন। কারণ একদিন এই সফর শেষ হয়ে যাবে।
কোহলির কথায়, ''আমি এখনও ব্যাটিং করতে খুব ভালবাসি। বিশ্বের সেরাদের বিরুদ্ধে এই পর্যায়ে খেলতে পারাটা গর্বের। আমি সবসময় নিজেকে উজাড় করে দিই, কারণ জানি একদিন সব শেষ হয়ে যাবে। তাই প্রতিটা মুহূর্ত উপভোগ করতে চাই।''
এই জয়ের ফলে আরসিবির পয়েন্ট ১৬। প্লে-অফে ওঠার রাস্তা কার্যত নিশ্চিত করে ফেলেছে আরসিবি।















