আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ২০২৭ বিশ্বকাপের এখনও দেড় বছর বাকি। কিন্তু বিসিসিআই নাকি ২০ জন ক্রিকেটারের একটা প্রাথমিক তালিকা তৈরি করে ফেলেছে। সংবাদসংস্থা পিটিআই সূত্রে এমনটাই দাবি করা হয়েছে।


আসন্ন আইপিএলে সেই ক্রিকেটারদের উপরেই নজর থাকবে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের। সূত্রের খবর, নির্বাচকরা আইপিএলের ম্যাচে নিয়মিত উপস্থিত থাকবেন। ক্রিকেটারদের পারফরম্যান্স খতিয়ে দেখবেন। বোর্ড সূত্রে খবর, শিবসুন্দর দাস, আরপি সিং, অজয় রাতরা ও প্রজ্ঞান ওঝা মাঠে তো যাবেনই, পাশাপাশি টিভির পর্দাতেই আইপিএলের ম্যাচে নজর রাখবেন।


বোর্ডের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ‘‌প্রত্যেক নির্বাচককে বলা হয়েছে, সপ্তাহে অন্তত একটা ম্যাচে স্টেডিয়ামে উপস্থিত থাকতে হবে। এর পাশাপাশি টিভিতেও নজর রাখতে হবে।’‌ 


শুধু ২০২৭ বিশ্বকাপ নয়, ২০২৮ অলিম্পিক ও টি–২০ বিশ্বকাপও বোর্ডের মাথায় রয়েছে। তবে আপাতত শুধু মাথায় ২০২৭ বিশ্বকাপ। 


বোর্ডের মূল নজর পেসারদের ফিটনেসের দিকে। জসপ্রীত বুমরা, মহম্মদ সিরাজ, প্রসিধ কৃষ্ণা, অর্শদীপ সিং ও অলরাউন্ডার হার্দিক পাণ্ডিয়া। আইপিএলে কতটা ফিট অবস্থায় তারা বল করতে পারেন সেদিকে কড়া নজর থাকবে নির্বাচকদের। হর্ষিত রানা অবশ্য চোটের জন্য আইপিএলের অনেকটাই খেলতে পারবেন না।


এর পাশাপাশি লাল বলের ক্রিকেটকেও সমান গুরুত্ব দিচ্ছেন নির্বাচকরা। আইপিএলের পরেই একমাত্র টেস্ট রয়েছে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে। সেই টেস্ট হবে মুল্লানপুরে ৬–১০ জুন। এরপর আগস্ট থেকে আগামী মার্চের মধ্যে ভারত নয়টি টেস্ট খেলবে। লাল বলের ক্রিকেটাররা আইপিএলে কেমন খেলেন সেটাও দেখার। সূত্রের খবর, আফগানদের বিরুদ্ধে একমাত্র টেস্টে বুমরা, সিরাজদের রাখা হবে। 

এদিকে, আইপিএলের পর পাকিস্তান সুপার লিগেও বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের খেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।


এটা ঘটনা, পাকিস্তান সুপার লিগে বাংলাদেশের ছয় ক্রিকেটারের খেলার কথা। তারা হলেন, মুস্তাফিজুর রহমান ও পারভেজ হোসেন ইমন (‌লাহোর কালান্দার্স)‌, শরিফুল ইসলাম, নাহিদ রানা ও তানজিদ হাসান তামিম (‌পেশোয়ার জালমি)‌, রিশাদ হোসেন (‌পেশোয়ার জালমি)‌। এই ছয় ক্রিকেটারকেই পিএসএলের জন্য নো অবজেকশন সার্টিফিকেট দিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। এখন বাংলাদেশ সরকারের সিদ্ধান্তের অপেক্ষা করছে বিসিবি।