আজকাল ওয়েবডেস্ক: আর্থিক প্রতারণার ফাঁদে বাবর আজম, মহম্মদ রিজওয়ান এবং শাহিন আফ্রিদি। কোটি কোটি টাকা খোয়াতে পারেন পাকিস্তানের ত্রয়ী। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের নজরে এসেছে এই স্ক্যাম। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, প্রায় এক ডজন ক্রিকেটার একজন পাকিস্তানি শিল্পপতির সংস্থার বিনিয়োগ করেছিল। এই তালিকায় আছেন ফাকর জামান, শাদাব খান সহ একজন প্রাক্তন টেস্ট অধিনায়কও রয়েছে। কিন্তু সেই ব্যবসায়ী বর্তমানে দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। যার ফলে বিরাট ক্ষতির মুখে পড়েছে পাকিস্তানের তারকা ক্রিকেটাররা। 

পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের এক সূত্র বলেন, 'প্রাথমিকভাবে এই শিল্পপতির সংস্থা লাভ দিচ্ছিল। এই ব্যবসায়ীর সঙ্গে প্লেয়ারদের সম্পর্ক ভাল। পাকিস্তান সুপার লিগের কয়েকটা ফ্র্যাঞ্চাইজিকে স্পনসরও করে। প্রথম কয়েক মাস লাভ হলেও, পড়ে সেটা বন্ধ হয়ে যায়। তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে, জানানো হয়, আর্থিক ক্ষতির মধ্যে দিয়ে গিয়েছেন তিনি। প্লেয়ারদের পাশাপাশি নিজের টাকাও খুইয়েছেন। তাই টাকা ফেরত দিতে পারবেন না। তারপর প্লেয়ারদের ফোন ধরা বন্ধ করে দেন। মেসেজেরও কোনও জবাব দেননি। বরং, দেশ ছেড়ে পালান।' 

শুধুমাত্র নিজেদের সাশ্রয় করা অর্থ নয়, অনেক ক্রিকেটার তাঁদের আত্মীয়-স্বজনদের অর্থও বিনিয়োগ করে। পাকিস্তান বোর্ড সূত্রে‌ জানায়, 'এটা মূলত পঞ্জি প্রকল্প ছিল, যা ফলপ্রসূ হয়নি। যার ফলে ক্রিকেটাররা কোটি কোটি টাকা হারাতে পারে।' সংশ্লিষ্ট সূত্রের খবর অনুযায়ী, ক্রিকেটারদের বিনিয়োগ করা অর্থ এক বিলিয়ন ছাড়িয়ে যেতে পারে। প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগে আরও একটি বিতর্কে জড়ান রিজওয়ান। তবে সেটা অবশ্য বাইশ গজে। 

মেলবোর্ন রেনেগেডসের হয়ে ম্যাচ খেলছিলেন মহম্মদ রিজওয়ান। তারমধ্যেই তাঁকে জোর জবরদস্তি 'রিটায়ার আউট' করে ক্রিজ ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। সিডনি থান্ডারের বিরুদ্ধে বিগ ব্যাশের ম্যাচে এমন ঘটনা ঘটেছে। তারপর থেকেই চর্চায় উঠে এসেছেন পাকিস্তানের উইকেটকিপার ব্যাটার। ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে স্ট্রাইক রেট নিয়ে প্রায়ই সমালোচনার মুখে পড়েন রিজওয়ান। সেদিনের ম্যাচে ২৩ বলে ২৬ রান করেন। তারপরই রেনেগেডসের অধিনায়ক উইল সুদারল্যান্ড তাঁকে ক্রিজ ছাড়ার নির্দেশ দেন। যা পাকিস্তানের ক্রিকেট সম্প্রদায়ে আলোড়ন ফেলে দেয়। অনেকেই মনে করেন, রিজওয়ানের মাপের একজন ক্রিকেটারের জন্য এমন ঘটনা অপমানজনক।