আজকাল ওয়েবডেস্ক: দু'বারের বিশ্বজয়ী অস্ট্রেলিয়া দলের সদস্য তিনি। ২০০৩ বিশ্বকাপ ফাইনালে সৌরভ গাঙ্গুলির স্বপ্ন ভেঙে দিয়েছিলেন। রিকি পন্টিংয়ের সঙ্গে পার্টনারশিপে করেছিলেন ২৩৪ রান। তার মধ্যে তিনি নিজে করেছিলেন ৮৮ রান। সেই ড্যামিয়েন মার্টিন মৃত্যুর সঙ্গে এখন পাঞ্জা লড়ছেন। বছরের শেষ প্রান্তে এসে এর থেকে খারাপ খবর আর কী হতে পারে ক্রিকেটভক্তদের কাছে।
মেনিনজাইটিসে আক্রান্ত ড্যামিয়েন মার্টিন। কুইন্সল্যান্ডের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি। ২৬ ডিসেম্বর অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। তাঁকে কোমায় রাখা হয়েছে।
ক্রিকেটজীবনে অনেক কঠিন পরিস্থিতিতে দামী ইনিংস খেলেছেন মার্টিন। এই মুহূর্তে জীবনের সব থেকে কঠিন ইনিংসটা বুঝি খেলছেন ড্যামিয়েন মার্টিন।
২৬ ডিসেম্বর বা বক্সিং ডে-তে অনেক টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন ড্যামিয়েন মার্টিন। কিন্তু এই বক্সিং ডে-টা তাঁর কাছে অন্যরকমের। বিশ্রাম নেওয়ার জন্য শুয়েছিলেন। তার পরই অসুস্থ হয়ে পড়েন বহু যুদ্ধের সৈনিক। একসময়ের সতীর্থরা তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ১৯৯২ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত ৬৭টি টেস্টে ১৩টি সেঞ্চুরি ও ২৩টি পঞ্চাশ-সহ ৪,৪০৬ রান করেন মার্টিন।
২০৮টি ওয়ানডেতে ৫টি সেঞ্চুরির মালিক তিনি। তাঁর ঝুলিতে ৫৩৪৬ রান। স্টিভ ওয়া ও রিকি পন্টিংয়ের দলের অপরিহার্য সদস্য ছিলেন মার্টিন।
১৯৯৯ ও ২০০৩ বিশ্বকাপজয়ী অস্ট্রেলিয়া দলের সদস্য ছিলেন তিনি। ২০০৬ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয়ী অস্ট্রেলিয়া দলের সদস্যও ছিলেন ড্যামিয়েন মার্টিন।
১৯৯২ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক। ১৯৯৪ সালে সিডনি টেস্টে খেলার পর ছয় বছর তিনি টেস্ট দলের বাইরে ছিলেন। ২০০০ সালে টেস্ট দলে প্রত্যাবর্তন ঘটে তাঁর।
সেই সময়ে অস্ট্রেলিয়া ছিল বিভীষিকাময় এক দল। সেই দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন ড্যামিয়েন মার্টিন।
সেই চ্যাম্পিয়ন ক্রিকেটার এখন জীবনমরণ সমস্যায়। ২০০৩ বিশ্বকাপ ফাইনালে ভারতকে রিংয়ের বাইরে ছিটকে দিতে পাশে পেয়েছিলেন রিকি পন্টিংকে। জীবনের এই কঠিন লড়াইটা একাই লড়তে হচ্ছে মার্টিনকে।
