আজকাল ওয়েব ডেস্ক: খাতায় কলমে যদিও বর্ষার বিদায় নেওয়ার কথা। কিন্তু ঘ্যানঘ্যানে বৃষ্টি পিছু ছাড়ছে কই! টানা বৃষ্টির মাঝেই উঁকি মারছে কড়া রোদ। ঘামে আর বৃষ্টিতে ভেজা জামা গায়ে শুকিয়ে ঠান্ডা-গরমে বাড়ছে সর্দি-কাশি। সর্দি-জ্বর কমে গেলেও কাশি যে কমার নাম নেই। দিনভর ঠিকঠাক থাকলেও রাত বাড়লেই বাড়ছে কাশির প্রকোপ। আপনারও কি শুকনো কাশির জেরে রোজই বারোটা বাজচ্ছে ঘুমের? কফ না উঠলেও কাশি কিছুতেই কমছে না।  ঋতু পরিবর্তনের পাশাপাশি নেপথ্যে রয়েছে অ্যালার্জির সমস্যাও। তবে কারণ যা-ই হোক না কেন, রাতের ঘুম নষ্ট হওয়ার সার্বিকভাবে প্রভাব পড়ছে শরীরে। তাহলে কয়েকটা ঘরোয়া টোটকা প্রয়োগ করে কাশি কমছে কিনা দেখতে পারেন। 

১. গরম জল-টানা শুকনো কাশি হতে থাকলে ঈষদুষ্ণ জল খান। কারণ ঠান্ডা জল গলায় গিয়ে সমস্যা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। গরম জল খেলে গলায় আরাম পাবেন। কাশিও কমবে দ্রুত। 

২. মধু- কাশির সমস্যায় প্রতি দিন এক চামচ করে মধু খেয়ে দেখতে পারেন। কাশির ঘরোয়া টোটকা হিসাবে মধু বেশ ভাল কাজ করে। মধুতে রয়েছে অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল এবং অ্যান্টি-ব্যাক্টেরিয়াল উপাদান যা ভাইরাল সংক্রমণ কমাতেও কার্যকরী। 

৩. তুলসী পাতা- আর্য়ুবেদ মতে, তুলসীর রস শ্বাসযন্ত্রের যে কোনও সমস্যা মেটাতে ম্যাজিকের মতো কাজ করে। কাশির সমস্যায় মধুর সঙ্গে কয়েকটি তুলসী পাতা চিবিয়ে খান। এছাড়াও তুলসী পাতার রস এবং মধু মিশিয়েও খেতে পারেন।

৪. নুন জলে গার্গেল- গলা ব্যথা হলে গার্গল করলে কমে যায়। শুকনো কাশিতেও গরম জলে নুন দিয়ে গার্গেল করলে গলায় আরাম পাবেন।  

৫. আদা- ২ কাপ জলে কিছুটা আদা কুচি দিয়ে ফুটিয়ে নিন। এরপর সেই পানীয় ছেঁকে সামান্য মধু মিশিয়ে খেলে খুসখুসে কাশিতে আরাম পাবেন। আদা দিয়ে ফোটানো জল দিয়েও গার্গল করলে উপকার মিলবে। সেক্ষেত্রে গার্গল করার আধ ঘণ্টা আগে ও পরে কোন খাবার খাবেন না এবং কম কথা বলবেন। 

৬.  হলুদ- হলুদ খেলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। শুকনো কাশির জন্য হলুদ খুব কার্যকরী। এক কাপ দুধের মধ্যে ১ চা চামচ হলুদ মিশিয়ে রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে খেতে পারেন। শুকনো কাশি কমাতে হলে কয়েক চামচ হলুদের রস খেলেও উপকার পাবেন।