ধুতি-পাঞ্জাবি যদি কুর্তা-জিন্সে বদলে যেতে পারে তা হলে আমপানা কেন কাঁচা আমের বাটারমিল্ক হবে না?



বরাবর পয়লা বৈশাখে হয় ডাব চিংড়ি নয় চিংড়ির মালাইকারি। এবার চিংড়ির শিক কাবাব খাবেন? যুগ বলছে, সন ১৪৩১ যেমন অভিজাত তেমনই আধুনিক। উদযাপনে তাই বেল, জুঁই, রজনীগন্ধার মালা, হাতপাখায় সাজানো রেস্তোরাঁর পাশাপাশি ঢুঁ মারতে পারেন সেরা ক্যাফের মতো হালফ্যাশনের রেস্তোরাঁতে। যেখানে চারপাশ সবুজ। ফুলের সমারোহ। যেন প্রকৃতির সঙ্গে মিশে গিয়ে উৎসবের আয়োজন। এখানেই ২ এপ্রিল থেকে খোলা হয়েছে বাংলা নববর্ষের বিশেষ মেনু। যেখানে সামুদ্রিক খাবারের সঙ্গে থাকছে চেনা পদ। ফিউশন রান্নার সঙ্গে সনাতনী ডিশের যুগলবন্দি।



কী কী থাকছে মেনুতে? রকমারি মাছ, মাংস, মিষ্টির মেনু। আর মুখরোচক জলখাবার। যেমন, বেল মোজিটো, আম ঘোল, নাচোস ঘুগনি, চাট শেজওয়ান ফুচকা। তেমনি, কাঁচা আমের বাটারমিল্ক, থাই ম্যাঙ্গো স্যালাড, চিংড়ি মাছের শিক কাবাব। প্রত্যেকটি রান্না স্বাদে-গন্ধে অতুলনীয়। থাকছে লুচি, নবরত্ন পোলাও এবং আরও অনেক কিছু। মাটির থালায় যত্ন করে কলাপাতা বিছানো। তার উপর থরে বিথরে সাজানো রকমারি ফিউশন পদ।



শহরের প্রথম ‘গ্রিন ক্যাফে’র এই বিশেষ উদযাপন সম্পর্কে আজকাল ডট ইনকে কমলিনী পাল জানিয়েছেন, বাঙালি আজও খেয়ে এবং খাইয়ে তৃপ্ত। এই সমস্ত দিনগুলোয় দলবেঁধে ভূরিভোজ করতে না পারলে যেন তৃপ্তি পায় না। যেহেতু এই কলকাতাকে ভালবেসে এই শহরে প্রথম পা রাখা তাই এখানকার উদযাপনকে প্রাধান্য দিয়েই মেনু সাজানো হয়েছে। সঙ্গে থাকছে রেস্তোরাঁর সিগনেচার পদ সামুদ্রিক খাবার, বিশেষ স্বাদের কফি, স্টার্টার ইত্যাদি। যা খেলে দ্বিতীয় বার সেরা ক্যাফেতেই খেতে চাইবেন খাদ্যরসিক।