আর মাত্র এক সপ্তাহ। তারপরই দেশ জুড়ে আরাধনা করা হবে বাগদেবীর। শাড়ি, পাঞ্জাবির জুটিতে ভরে উঠবে শহর, গ্রামাঞ্চল। সকাল সকাল স্নান সেরে বিদ্যার দেবী সরস্বতী দেবীর সামনে বই, খাতা রেখে ভক্তি ভরে অঞ্জলি দেওয়ার দিন। স্কুল, কলেজ থেকে সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই আরাধনা হবে তাঁর। আগামী ২৩ জানুয়ারি পড়েছে এই বছরের বসন্ত পঞ্চমী। জেনে নিন এই দিন কী কী করবেন, এবং, কী কী একেবারেই করা যাবে না। 

সরস্বতী পুজোর দিন কী কী করবেন জেনে নিন: 

১. এদিন অবশ্যই হলুদ পোশাক পরবেন। হলুদ রং বুদ্ধি, সমৃদ্ধি এবং বৃহস্পতির ইতিবাচক শক্তিকে বোঝায়। 

২. দেবী সরস্বতীর পায়ে হলুদ ফুল অবশ্যই অর্পণ করুন। এতে জ্ঞান, ক্রিয়েটিভিটি বাড়ে। 

৩. সরস্বতী পুজোর সময় অবশ্যই সরস্বতী বন্দনা করুন। পাঠ করুন এই মন্ত্র, 'ওম এইম সরস্বতৈয় নমঃ।' এই মন্ত্র ১০৮ বার পাঠ করুন, এতে মনোযোগ বাড়বে। স্বচ্ছ হবে লক্ষ্য। দেবীর পায়ের কাছে অবশ্যই বই, পেন, সঙ্গীত, নৃত্যের জিনিস বা অন্যান্য বাদ্যযন্ত্র। 

৪. বসন্ত পঞ্চমীর দিন পারলে সামর্থ্য অনুযায়ী ছোলার ডাল, হলুদ গরীব, দুঃস্থদের দান করুন। পোশাক দিতে পারেন হলুদ রঙের। এছাড়া গরু, পাখিদের খাওয়াতে পারেন। এতে ঈশ্বরের আশীর্বাদ পাওয়া যায়। 

৫. এদিনের অভূজ মুহূর্ত নতুন কোনও ব্যবসা, বা উদ্যোগ শুরু করার একদম আদর্শ। চাকরির জন্য আবেদন করা, নতুন জিনিস শেখার জন্য সেরা সময়। 

কী কী একদম করবেন না সরস্বতী পুজোর দিন? এই কাজগুলো করলেই ঘটবে অনর্থ!

১. কালো রঙের বা ডার্ক রঙের কোনও পোশাক না পরাই ভাল। এতে নেতিবাচক শক্তি আকর্ষিত হয়, ইতিবাচক শক্তির বদলে। 

২. এদিন ভুলেও নখ বা চুল কাটবেন না। এতে সরস্বতী রুষ্ট হন। বুদ্ধিভ্রষ্ট হয়। 

৩. আমিষ খাওয়া, মদ, পেঁয়াজ, রসুন খাওয়া থেকে পারলে বিরত থাকুন। 

৪. সরস্বতী পুজোর দিন কারও সঙ্গে ভুলেও ঝগড়া করবেন না, নিজেকে সংযত রাখুন। কারও নামে গসিপ করা বা মিথ্যে বলা থেকেও বিরত থাকুন। এতে নেতিবাচক কর্মা বাড়ে। 

৫. অযথা, অকারণ খরচ করবেন না। তাহলে বাকি বছর আর্থিক অবস্থা ভাল যাবে না। মাটিতে বই, খাতা বা বিদ্যার কোনও জিনিস রাখবেন না।