ই-পাসপোর্ট দেখতে অনেকটা সাধারণ ভারতীয় পাসপোর্টের মতো, তবে এর মধ্যে সুরক্ষিত রেডিও-ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন (RFID) চিপ এবং অ্যান্টেনা রয়েছে। এই চিপটি ব্যক্তিগত তথ্যের সাথে বায়োমেট্রিক ডেটা (যেমন আঙুলের ছাপ এবং মুখের আদল্ল) সংরক্ষণ করে।  ডিজিটাল রেকর্ডের সঙ্গে খতিয়ে দেখে তথ্য নিশ্চিত করে৷  

 ই-পাসপোর্টের জন্য কারা কারা আবেদন করতে পারেন?

নিয়মিত পাসপোর্টের জন্য যোগ্য যে কোনও ভারতীয় নাগরিক ই-পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে পারেন।

প্রাথমিকভাবে, এই সুবিধাটি শুধুমাত্র নির্বাচিত পাসপোর্ট সেবা কেন্দ্র (PSK) এবং প্রধান শহরগুলির পোস্ট অফিস পাসপোর্ট সেবা কেন্দ্র (POPSK) এ উপলব্ধ। তবে শীঘ্রই এই পরিষেবাটি দেশজুড়ে চালু করা হবে৷  

কী ভাবে আবেদন করবেন?  

১. পাসপোর্ট সেবা পোর্টালে রেজিস্টার অথবা লগ ইন করুন।

২. নতুন পাসপোর্টের জন্য আবেদন করুন। অথবা পুরনো পাসপোর্ট পুনর্নবীকরণ করুন৷ সঠিক বিকল্প বেছে নেওয়ার পরে অনলাইন ফর্মটি পূরণ করুন।

৩. অনলাইনে টাকা জমা দিতে হবে৷  তারপর আপনার স্থানীয় পাসপোর্ট সেবা কেন্দ্র থেকে ডাক আসার জন্য অপেক্ষা করতে হবে৷ 

৪. পাসপোর্ট সেবা কেন্দ্রে নথিপত্র নিয়ে যেতে হবে৷  সেখানে আপনার বায়োমেট্রিক ডেটা (ছবি  আর আঙুলের ছাপ) সংগ্রহ করা হবে।

৫. প্রক্রিয়াকরণ এবং প্রেরণের জন্য অপেক্ষা করুন। অনুমোদন পেলে ই-পাসপোর্ট আপনার ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে।

ই-পাসপোর্ট থাকলে কী কী সুবিধা হবে? 

এর মধ্যে চিপ আর এনক্রিপশন থাকায় পরিচয়পত্রের অপব্যবহারের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত সুরক্ষা প্রদান করে।

ই পাসপোর্ট থাকলে যে কোনও চেক পয়েন্টে কম সময় অপেক্ষা করতে হয়৷ 

ই পাসপোর্ট ব্যবহার করে ১২০ টিরও বেশি দেশে ভ্রমণ করতে পারবেন৷ 

ই পাসপোর্ট চালু হলে কি নিয়মিত পাসপোর্ট বাতিল হয়ে যাবে? 

নিয়মতি পাসপোর্টগুলি তাদের নির্ধারিত মেয়াদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত সম্পূর্ণ বৈধ থাকবে। পুনর্নবীকরণ করার সময় আবেদনকারীরা ইচ্ছা হলে ই পাসপোর্টের আবেদন করতে পারেন৷