নতুন প্রজন্ম বর্তমানে 'পাফার ফিশিং' -এ মজে। যদিও বিষয়টা যে নতুন, সেটা নয়, বহু সময় ধরেই চলে আসছে। কিন্তু সাম্প্রতিককালে এটি নতুন নাম পেয়েছে এবং ভাইরাল হয়েছে। কিন্তু কী এই বিষয়টা? কোথায় আলাদা? 

'পাফার ফিশিং' কী আসলে? ধরা যাক আপনি কোনও একটি সম্পর্কে রয়েছেন। ভালই কথা হচ্ছে, নানা বিষয়ে আলোচনা করছেন। দেখাও হচ্ছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মানসিক ভাবে জড়িয়ে পড়ছেন তাঁর সঙ্গে। এমন অবস্থায় যেই কথোপকথন বা সম্পর্ক একটু সিরিয়াস দিকে মোড় নেয়, ঘনিষ্টতা বাড়ে, ইমোশনাল ডিপেন্ডেন্সি তৈরি হতে শুরু করে ঠিক সেই সময়ই আপনার সঙ্গী অদ্ভুত আচরণ করা শুরু করেন। নিজেকে হুট করে যেন গুটিয়ে নেয়। মানসিক ভাবে, ইমোশনালি দূরত্ব বাড়িয়ে নেয় হঠাৎ করেই। এমনকী আজকালকার ভাষায় ঘোস্টিং পর্যন্ত করতে পারে। বা সোজা ব্রেকআপ করতে পারেন তেমন কোনও কারণ না দেখিয়ে, বাব ঝামেলা ছাড়াই। মোদ্দাকথায়, এঁরা সম্পর্ক, ঘনিষ্টতা চাইলেও, কমিটমেন্টে আপত্তি তাঁদের। 

এবার প্রশ্ন কেন এমন অদ্ভুত নাম এই ডেটিং ট্রেন্ডের? আসলে পাফার মাছ যখনই তার আশপাশে বিপদ বোঝে তখনই সে নিজেকে বাঁচাতে ফুলে ওঠে। তার গায়ের কাটা খাঁড়া হয়ে যায়। এভাবেই যেন সে নিজেকে গোটা দুনিয়া, বিপদ থেকে দূরে রাখে।

সঙ্গী যদি এমন করেন তাহলে কী করণীয়? সঙ্গী যদি কথায় কথায় অ্যাভয়েড করে, গভীর আলোচনা এড়িয়ে চলে সতর্ক হন। এই ধরনের সম্পর্ক কিন্তু বেশিদূর এগোনোর নয়। সঙ্গীর মধ্যে এমন লক্ষণ দেখলে তার থেকে দূরত্ব বাড়িয়ে নেওয়া ভাল, নইলে অনেকটা এগোনোর পর সেই সম্পর্ক ভাঙলে কষ্ট বেশি হবে বলাই বাহুল্য। তাছাড়াও এই ধরনের সম্পর্ক মানসিক স্বাস্থ্যের জন্যও মোটেই ভাল নয়।