অনেক পরিবারেই প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে একই ধরনের সমস্যা চলতে দেখা যায়। কারও সংসারে বারবার আর্থিক সংকট, কারও সম্পর্কে অশান্তি, আবার কারও জীবনে অকারণ বাধা বা অসুস্থতা যেন পিছু ছাড়ে না। জ্যোতিষশাস্ত্রে অনেক সময় এই ধরনের পরিস্থিতিকে 'জেনারেশনাল কার্স' বা প্রজন্মগত নেতিবাচক প্রভাব হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়। যদিও এর কোনও বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই, তবুও বহু মানুষ আধ্যাত্মিক বিশ্বাসের অংশ হিসেবে কিছু প্রতিকার মেনে চলেন।

জ্যোতিষশাস্ত্রের একটি জনপ্রিয় পরামর্শ হল সমুদ্রের নুন (Sea Salt) ব্যবহার করে একটি ছোট্ট আচার পালন করা। বিশ্বাস করা হয়, সমুদ্রের নুন নেতিবাচক শক্তি শোষণ করতে সাহায্য করে এবং বাড়িতে ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি করতে ভূমিকা রাখে।

এই পদ্ধতিতে একটি ছোট পাত্রে সামান্য সমুদ্রের নুন নিয়ে এক মিনিট চোখ বন্ধ করে নিজের ও পরিবারের মঙ্গল কামনা করতে বলা হয়। এরপর সেই নুন প্রবাহমান জলে ফেলে দেওয়া বা বাড়ির বাইরে নিরাপদ স্থানে ফেলে দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। অনেকেই মনে করেন, এর মাধ্যমে মানসিক ভার লাঘব হয় এবং নতুনভাবে ইতিবাচক চিন্তা শুরু করা সহজ হয়।

এ ছাড়াও অনেক জ্যোতিষী বাড়ির কোণে বা বাথরুমে একটি ছোট বাটিতে সমুদ্রের নুন রেখে কয়েক দিন পরপর তা বদলে দেওয়ার পরামর্শ দেন। তাঁদের বিশ্বাস, এতে বাড়ির নেতিবাচক শক্তি কমতে পারে। তবে এই ধারণাগুলি সম্পূর্ণরূপে ধর্মীয় ও জ্যোতিষশাস্ত্রীয় বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনও আচার পালন করার সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল ইতিবাচক মনোভাব, আত্মবিশ্বাস এবং মানসিক শান্তি। শুধুমাত্র কোনও টোটকা জীবনের সব সমস্যার সমাধান করে দিতে পারে—এমন ধারণার পক্ষে কোনও বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।