আজকাল ওয়েবডেস্কঃ শীতের বাজার বলতে রাঙা আলু, পালং শাক, বিট, গাজর। শীতের আনাজের মতো পুষ্টিকর খাবার খুব কমই রয়েছে। এই মরশুমে যদি নিয়ম করে শাকচচ্চড়ি খাওয়া যায়, রোগবালাইয়ের ঝুঁকি কমবে। আরও উপকার পাবেন যদি শাকচচ্চড়িতে শিম মেশান। ভর্তা হোক বা পোস্ত, সেদ্ধ থেকে চচ্চড়ি, 
শীতের সবজির মধ্যে অন্যতম হল শিম৷ অন্যান্য তরকারির থেকে দাম কম হলেও পুষ্টিতে এই সবজির ধারেকাছে পৌঁছতে পারে না অনেক নামীদামি সবজিই৷ এতটাই এই গুণ, যে একে বলা হয় সুপারফুড৷ বিশেষ করে ব্লাড সুগারের মতো অসুখের ক্ষেত্রে শিম অত্যন্ত উপকারী। শিমের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স খুব কম৷ তাছাড়া এতে প্রচুর প্রোটিন এবং ফাইবার আছে৷ তাই মধুমেহ রোগীর ডায়েটে এই সবজি রাখতে ভুলবেন না৷ ব্লাড সুগারের রোগীদের ডায়েটে শিম রাখার কথা বলে আমেরিকান ডায়াবেটিস অ্যাসোসিয়েশন৷ তাদের মতে এই সবজি খুব ভাল ভাবে ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ করে৷ এই সবজিতে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন ও ফাইবার থাকে৷ তাই ব্লাড সুগারের রোগীদের ডায়েটে এই সবজি রাখতেই হবে৷

শিমের মধ্যে প্রোটিন, কার্ব‌, ফাইবার সবই পাওয়া যায়। এছাড়াও রয়েছে আয়রন, পটাশিয়াম, ক্যালশিয়ামের মতো একাধিক প্রয়োজনীয় পুষ্টি। 
হার্টের রোগ। তাই সময় থাকতে হৃদযন্ত্রের যত্ন নেওয়া জরুরি। এই কাজটা শীতকালে শিম করতে পারে। শিমের মধ্যে থাকা ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট ও  কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায় এবং এতে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি এড়ানো যায়। দূষণের হাত থেকে ফুসফুসকে রক্ষা করতে শিম খান। শিমের মধ্যে সেলেনিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ ও জিঙ্কের মতো উপাদান রয়েছে, যা ফুসফুসের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।