৫১ বছর বয়সেও হৃত্বিক রোশনের টোনড এবং ফিট শরীর। সম্প্রতি নিজের ডায়েট এবং জীবনধারার কিছু বিষয় শেয়ার করেছেন বলিউডের ‘গ্রিক গড’, যা দেখে রীতিমতো অবাক ভক্তরা। অভিনেতার ফিটনেস রহস্য? কম খাওয়া কিন্তু সঠিকভাবে খাওয়া।

হৃত্বিক বলেছেন, তাঁর জীবনের নতুন লক্ষ্য হল, 'কম খাও, কিন্তু পুষ্টিকর খাবার বেছে নাও।' তাঁর মতে, বাড়তি খাবার বা অতিরিক্ত ক্যালোরি এড়িয়ে চলাই শরীরকে ফিট রাখার মূল চাবিকাঠি। শুটিং বা ট্রাভেলের সময়ও হৃত্বিক খাবারের বিষয়ে খুব সচেতন থাকেন। তিনি তাঁর প্রতিটি খাবারের নিজের সঙ্গে নিয়ে যান। যেখানে থাকে পর্যাপ্ত প্রোটিন, সবজি এবং স্বাস্থ্যকর ফ্যাট। অভিনেতা প্রায় ৩ ঘণ্টা অন্তর একটি করে মিল খেয়ে থাকেন। এটি তার মেটাবলিজম ঠিক রাখতে এবং এনার্জি বজায় রাখতে সাহায্য করে।

হৃত্বিক খাবারের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণকেও খুব গুরুত্ব দেন। তিনি মনে করেন, একবারে বেশি খাওয়া ঠিক নয়। খাবার ছোট ছোট অংশে খেলে শরীর ফিট থাকে এবং পেশি গঠনে সাহায্য করে। তাঁর খাবার কখনও ক্র্যাশ ডায়েট নয়, বরং সবসময় সুষম ও পুষ্টিকর।

ইনস্টাগ্রামে হৃত্বিক প্রায়ই নিজের ফিটনেস রিল এবং ছবি শেয়ার করেন। এসব পোস্টে দেখা যায় ,তাঁর টোনড পেশি ও অ্যাথলেটিক শরীর। যা দেখে বরাবরই অনুপ্রাণিত হন ভক্তরা। অভিনেতার কাছে ব্যালান্স ডায়েট গুরুত্বপূর্ণ। রাত ৯টার মধ্যে রাতের খাবার খেয়ে ফেলেন। হৃতিকের ডায়েটে থাকে ডিম, মুরগির মাংস, যা পেশির গঠনের জন্য উপকারী। এছাড়া ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের চাহিদা পূরণে সামুদ্রিক মাছ পছন্দ করেন তিনি। মুসুর ডাল, রাজমা, কিনোয়া, ওটস এবং সবজি সহ তাঁর মেনুতে থাকে হাই ফাইবারযুক্ত খাবার।

হৃত্বিক মানসিক নিয়ন্ত্রণের কথাও বলেন। তাঁর মতে, মানসিক স্থিরতা না থাকলে ডায়েট বা এক্সারসাইজ ঠিকমতো করা সম্ভব নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, হৃত্বিকের জীবনধারা ৫০-এর বেশি বয়সেও শরীরকে তরতাজা রাখার জন্য একদম আদর্শ। কম খাওয়া, সুষম ডায়েট, নিয়মিত প্রোটিন খাওয়া এবং মানসিক নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার এই সহজ সূত্রে তাঁর ফিটনেস লুকিয়ে রয়েছে।