রোজকার অফিস, কলেজ যেতে আসতে ধুলো, ধোঁয়া, রোদের তাপে ট্যান পরেই। আর রোজকার ব্যস্ততায় সেই অর্থে যত্ন নেওয়া হয় না। ফলে ট্যান জমতেই থাকে। আর সবার পক্ষে বাজারের দামী প্রোডাক্ট কিনে ব্যবহার করা সম্ভব হয় না। এমনকী নিয়মিত পার্লার গিয়ে ট্রিটমেন্ট করানোও ব্যয়সাপেক্ষ। সেক্ষেত্রে কী করণীয়? বাড়িতেই বানিয়ে ফেলুন ট্যান রিমুভাল সাবান। লাগবে মাত্র তিনটি ঘরোয়া উপাদান। কী কী? কীভাবে বানাবেন জেনে নিন।
ট্যান রিমুভ করার জন্য ঘরোয়া পদ্ধতিতে সাবান বানাত চাইলে কী কী লাগবে:
দুই চামচ বেসন নিন একটি পরিষ্কার পাত্রে। এবার তাতে ডিজ দেড় চামচ হলুদ। এবার প্রয়োজন অনুযায়ী কাঁচা দুধ নিন। এবার সবটা মিশিয়ে একটা ঘন মিশ্রণ বানান।
এমন ভাবে মিশ্রণ বানান যাতে কোনও দলা না পেকে থাকে। ভাল করে ফেটাতে থাকুন। এবার এই মিশ্রণটি কোনও ছোট বাটি বা ছাঁচে ফেলুন। এবার সমান করে নিন। ৮-১০ ঘণ্টা ওটিকে ওভাবেই ফেলে রাখুন। বা ফ্রিজে ঢুকিয়ে রাখুন। এতে মিশ্রণটি জমাট বাঁধবে এবং শক্ত হয়ে সাবানের আকার নেবে।
এবার মিশ্রণটি সাবানের মতো শক্ত হয়ে গেলে সেটাকে ছাঁচ থেকে বের করে নিন। আর ব্যাস তৈরি আপনার ঘরোয়া ট্যান রিমুভাল সাবান।
এবার স্নানের সময় যেভাবে সাবান ব্যবহার করা হয় সেভাবে ব্যবহার করুন। গায়ে সাবানটি ঘষে সঙ্গে সঙ্গে ধুয়ে ফেলবেন না। বরং এক থেকে দুই মিনিট রাখুন। তারপর ধুয়ে ফেলুন।
কবে ব্যবহার করবেন?
রোজ এই সাবান ব্যবহার করতে পারেন বা একদিন অন্তর। চেষ্টা করবেন সাবানটি ব্যবহার করার পর সেটিকে কোনও শুকনো জায়গায় রাখার। যাতে সেটা ভিজে না থাকে, বা না ভেজে অনবরত সেইদিকে নজর রাখুন। এই সাবান একবার বানালে চেষ্টা করুন ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যে ব্যবহার করে ফেলার। তারপর আবার একই উপায়ে নতুন সাবান বানিয়ে নিন।
এই ঘরোয়া সাবান ব্যবহার করলে রাসায়নিকের হাত থেকে যেমন বাঁচবেন, তেমনই গায়ে ট্যান পড়বে না। আর এছাড়া ট্যানের হাত থেকে বাঁচতে চাইলে টুপি, ছাতার ব্যবহার করুন পারলে ফুল স্লিভ জামা পরুন। সানস্ক্রিন অতি অবশ্যই ব্যবহার করুন। রোজ ৩-৪ লিটার জল খান। এতে ত্বক হেলথি থাকবে।
