আজকাল ওয়েব ডেস্কঃ ভোরবেলা স্নান করে ভেজা চুলেই স্কুলে যেতে হয় আপনার সন্তানকে।তখন তাড়াতাড়িতে ভাল করে শ্যাম্পু করিয়ে দেওয়ার সময় নেই।ঠান্ডা লেগে যাওয়ারও সম্ভাবনা থাকে। ছুটির দিন ছাড়া মাথায় তেল ম্যাসাজ বা শ্যাম্পু করানো মহা ঝকমারি।বাসে ট্রেনে করে স্কুলে আসা যাওয়ার কারণে চুলে অনেক নোংরা জমে যায়।সঠিক যত্নের অভাবে এতটুকু বয়স থেকেই শুরু হয় চুল ঝরা ও খুসকির সমস্যা।কিন্তু মাথার চুল পর্যাপ্ত পরিচর্যা না পাওয়াই কি শুধু চুলের এই অবস্থার জন্য দায়ী?এত ছোট বয়সে যদি চুল পড়া শুরু হয়,তবে বয়স বাড়লে কি হবে?প্রতিটি মায়েরা এই চিন্তায় নিজের চুলের যত্নের কথা ভুলে যান।এই সমস্যার আড়ালে রয়েছে আরও কিছু গুরুতর কারণ।

কৈশোরে সন্তানদের প্রয়োজনীয় পুষ্টির চাহিদা মেটাতে বড়দের হিমসিম খেতে হয়।শুধু শরীরের ক্ষেত্রে নয়,চুল ও চুলের ত্বকেরও পুষ্টির দরকার। খাবারের মাধ্যমে সেই পুষ্টির খামতি হলে চুল ঝরতে শুরু করে। ছেলেদের তুলনায় কিশোরী মেয়েদের  ক্ষেত্রে এই সমস্যা বেশি হয়।সঠিক খাওয়া দাওয়া না করে পর্যাপ্ত পুষ্টির অভাবে চুলের স্বাস্থ্য নষ্ট হয়ে যায়।কিছু উপাদান চুল মজবুত এবং শক্তিশালী করে তোলে।জিঙ্ক, আয়রন, প্রোটিন ও ভিটামিনে সমৃদ্ধ খাবার চুলের জন্য উপকারী।তাই এইসব উপাদান সমৃদ্ধ খাবার বেশি করে খেতে হবে চুল ঝরা আটকাতে।

চুল পেকে সাদা হয়ে যাওয়ার মতো চুল পড়াও এক ধরণের বংশগত রোগ বলেই মনে করা হয়।পরিবারে কারও যদি চুল পড়ার সমস্যা আগে থেকেই থাকে, তা হলে কৈশোরেই চুল ঝরা শুরু হতে পারে। ছেলেদের টাক পড়ে যাওয়ার ক্ষেত্রেও তাদের পারিবারিক ইতিহাসকেই  কারণ হিসেবে ধরা হয়।

পার্লারে এখন অত্যাধুনিক যন্ত্রের মাধ্যমে চুলের নানা ধরনের স্টাইল, কালারিং, ট্রিটমেন্টের প্রলোভন দেওয়া হয়।বাচ্চা মেয়েদের জন্যও থাকে কিছু ভাবনা।আসলে একগাদা টাকা খরচ করে এইসব প্রলোভনে পড়বেন না।এতে আপনার মেয়ের চুলের দফারফা অবস্থা হয়ে যায়।কম বয়সে চুলের সাজ নিয়ে নানা পরীক্ষানিরীক্ষা করতে গেলেই হতে পারে বিপদ।এমনকি স্ট্রেটনার, ড্রায়ারের অত্যধিক ব্যবহারেও  চুল ঝরা বাড়তে পারে। চুল রং করা বা ভেজা চুল আঁটোসাঁটো করে বেঁধে রাখবেন না।চুলের ক্ষতির অন্যতম কারণও কিন্তু এটি।