আজকাল ওয়েব ডেস্ক: শীতকালে প্রায় প্রত্যেক রান্নাতেই ধনেপাতা কুচি দিয়ে তার স্বাদ বাড়ানো হয়। ধনেপাতা বাটা খেতেও সুস্বাদু।কিন্তু এই পাতার রয়েছে আরও কিছু স্বাস্থ্যকর উপাদান, যা ত্বকের জন্য মহৌষধি।

ধনেপাতায় প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন-সি থাকার কারণে এটি ব্ল্যাকহেডের সঙ্গে লড়ে ত্বককে পরিষ্কার রাখে।ধনে পাতা ত্বকের টোন বাড়াতেও সাহায্য করে।

রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে সাহায্য করে, ধনেপাতা প্রায় সকলেই খান। এর গুণেরও কিন্তু শেষ নেই।স্বাস্থ্য গুণে ভরপুর এই সবজি এনজাইমগুলি সক্রিয় করতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। আপনার শরীরকে রক্তে শর্করাকে আরও কার্যকরভাবে পরিচালনা করতে সহায়তা করতে পারে। ধনেপাতায় রয়েছে পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, লোহা ও ম্যাগনেশিয়ামের মতো বেশ কয়েকটি উপকারী খনিজ। এর সাহায্যে আপনার শরীর থেকে অতিরিক্ত সোডিয়াম দূর হয় এবং এটি রক্তচাপ কমাতেও সাহায্য 

স্কিনকেয়ার রুটিনে ধনেপাতা অন্তর্ভুক্ত করার আরেকটি উপায় হল ধনে পাতার টোনার।এই টোনার ত্বকের পিএইচ স্তরের ভারসাম্য বজায় রাখে।ত্বকের ছিদ্রগুলো শক্ত করে।একটি সতেজ এবং উজ্জ্বল রঙ ফিরিয়ে দেয়।

এক আঁটি ধনেপাতাকে পরিষ্কার করে ধুয়ে নিন।কুচিয়ে নিয়ে প্যানে রাখুন।দু'কাপ জল দিয়ে দিন।কম আঁচে বসিয়ে ফোটাতে থাকুন।১০ মিনিট ভাল করে ফোটান।জল ফুটে সেদ্ধ হতে শুরু করলে ওভেনের আঁচ বন্ধ করে দিন। ঠান্ডা করতে দিন। ঠান্ডা হয়ে গেলে একটি স্প্রে বোতলে ভরে রাখুন রোজ রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে মুখে স্প্রে করে আলতো হাতে ত্বকের সঙ্গে মিশিয়ে দিন।টানা ১৫ দিন নিয়ম করে এই স্প্রে ব্যবহার করলে ত্বক হবে পরিস্কার ঝকঝকে ও টানটান।এই প্রাকৃতিক টোনার হাজারো দামী কোম্পানির টোনারকে হার মানায়।ধনেপাতায় আছে এসেনশিয়াল অয়েল এবং অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট, যা কোষকে ক্ষতি থেকে রক্ষা করে।

ত্বকের সমস্যার জন্যও ধনে পাতা উপকারী।ত্বকে জেল্লা বাড়াতে, ব্রণর সমস্যা এড়াতে , ফর্সাভাব আনতে ধনেপাতা খাওয়া বেশ ভাল।এতে রয়েথে কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ বৈশিষ্ট্য।ত্বক উজ্জ্বল ও ফর্সাভাব আনতে রোজ খান এই পাতার রস।ত্বকের যে কোনও সমস্যা দূর করার জন্যও ভাল।