অনেক সময় ঠিকমতো খাওয়াদাওয়া করলেও শরীরে এনার্জি থাকে না, বারবার ক্লান্ত লাগে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এর অন্যতম কারণ হতে পারে সঠিক ধরনের কার্বোহাইড্রেট না খাওয়া।

 কার্বোহাইড্রেট আমাদের শরীরের প্রধান শক্তির উৎস। তবে সব কার্ব একরকম কাজ করে না। কিছু খাবার দ্রুত এনার্জি দেয়, আবার কিছু খাবার ধীরে ধীরে শক্তি জোগায় এবং অনেকক্ষণ চনমনে রাখে।


যে খাবারগুলো ধীরে হজম হয়, সেগুলোকে বলা হয় 'কমপ্লেক্স কার্ব'। এগুলো শরীরে ধীরে গ্লুকোজ ছাড়ে, ফলে হঠাৎ এনার্জি কমে যায় না। তাই সারাদিন সক্রিয় থাকতে এই ধরনের খাবার খাওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এমনই কয়েকটি সহজলভ্য হাই-কার্ব খাবারের বিষয়ে জেনে নিন যা নিয়মিত খেলে দীর্ঘ সময় এনার্জি পাওয়া যায়। 


ওটস: সকালের খাবার হিসেবে ওটস খুব ভাল। এতে প্রচুর ফাইবার থাকে, যা ধীরে হজম হয়। ফলে অনেকক্ষণ পেট ভরা থাকে এবং শরীরে ধীরে ধীরে এনার্জি আসে।


কিনোয়া: কিনোয়া একটি পুষ্টিকর শস্য, যাতে কার্বোহাইড্রেটের পাশাপাশি প্রোটিন ও ফাইবারও রয়েছে। এটি শরীরে ধীরে এনার্জি জোগায় এবং দীর্ঘ সময় সক্রিয় থাকতে সাহায্য করে।


ব্রাউন রাইস: সাদা ভাতের তুলনায় ব্রাউন রাইস অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর। এতে ফাইবার বেশি থাকায় এটি ধীরে হজম হয় এবং দীর্ঘ সময় এনার্জি দেয়।

মিষ্টি আলু: মিষ্টি আলুতে কমপ্লেক্স কার্ব ও ফাইবার থাকে, যা শরীরে ধীরে গ্লুকোজ ছাড়ে। ফলে দীর্ঘ সময় এনার্জি পাওয়া যায় এবং হঠাৎ ক্লান্তি আসে না।


তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু হাই-কার্ব হলেই হবে না, সঠিক কার্ব বেছে নিতে হবে। কেক, পেস্ট্রি, চিপস বা সাদা পাউরুটির মতো প্রসেসড খাবার দ্রুত শক্তি দিলেও তা বেশিক্ষণ থাকে না, বরং দ্রুত ক্লান্তি নিয়ে আসে।


যদি সারাদিন চনমনে থাকতে চান, তাহলে ডায়েটে রাখুন এই স্বাস্থ্যকর হাই-কার্ব খাবারগুলো। সঠিক খাবারই আপনার শরীরকে দেবে দীর্ঘস্থায়ী এনার্জি এবং রাখবে সক্রিয়।