আজকাল ওয়েবডেস্কঃ কখনও ভেবে দেখেছেন যে ডাক্তারের কাছে গেলে প্রথমেই জিভ কেন দেখাতে বলা হয়? সাধারণ জ্বর-সর্দি বা কঠিন কোনও অসুখ হোক না কেন, চিকিৎসকের কাছে গেলে আগে রোগীর জিভ দেখতে চান তাঁরা। কারণ, শরীরে অস্বাভাবিক কিছু ঘটলেই এই অঙ্গেই তার কিছু লক্ষণ ফুটে ওঠে। যা দেখে সহজেই রোগ সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা স্পষ্ট হয় চিকিৎসকদের। খাবারের স্বাদ বুঝতে না পারা, জিভ শুকিয়ে যাওয়া কিংবা জিভে কাঁটা ফোটার মতো অনুভূতি একেবারেই স্বাভাবিক নয়। তাছাড়া, জিভের স্বাভাবিক লালচে গোলাপি রং বদলে গেলে তা কোনও রোগের লক্ষণ হতে পারে বলেই ধারণা অনেকের।
জিভের উপর সাদা বা ধূসর রং হলে সাধারণত ব্যাক্টেরিয়া বা ফাঙ্গাস জিভের উপর বাসা বেঁধেছে বলে মনে করা হয়। দাঁত মাজার সময়ে নিয়মিত জিভ পরিষ্কার না করলেও এই সমস্যা দেখা যায়। তাছাড়া, ডিহাইড্রেশনের সমস্যা হলেও জিভ সাদা বা ধূসর হয়ে যেতে পারে।
জিভের রং নীলচে বা বেগুনি হয়ে গেলে বুঝতে হবে শরীরে অক্সিজেনের অভাব হচ্ছে।শ্বাসযন্ত্র কিংবা কার্ডিওভাস্কুলার কোনও সমস্যা থাকলেও জিভের রং নীল হয়ে যেতে পারে। একেবারে ফ্যাকাশে হয়ে গেলে তা রক্তে আয়রনের অভাবকে ইঙ্গিত করে।জিভের উপর লাল এবং সাদা চাকা চাকা দাগ অটোইমিউন রোগের সংকেত বহন করে।
জিভ মূলত আমাদের পরিপাকতন্ত্রের অবস্থা জানায়। কারণ জিভ থেকেই এই তন্ত্রের রাস্তা শুরু হয়। জিভের ওপর যদি পাতলা সাদা একটি আস্তরণ থাকে, তবে বুঝবেন হজমে কোনও সমস্যা নেই। পরিপাকতন্ত্র ঠিকমতো কাজ করছে।
জ্বর হলে জিভের ওপর হলুদ আস্তরণ পড়ে। দেহের তাপমাত্রা অনেক কারণে বাড়তে পারে। সেটা ব্যাক্টেরিয়া সংক্রমণ হতে পারে, শরীরের কোনও অংশ ফুলে গিয়েও হতে পারে।
জিভের পাশে লাল রং হলে তা খুব মশলাযুক্ত খাবার বা প্রচুর ফ্যাট জাতীয় খাবার খেলে হয়। অ্যালকোহলের মাত্রা শরীরে বেশি হলে ও কোষ্ঠকাঠিন্য হলে এমন রং হয়।
















