আজকাল ওয়েবডেস্ক: ২১ জুলাই কার, তা নিয়ে দড়িটানাটানি হয়েছে বিস্তর। তৃণমূলের দু'পক্ষই একুশে জুলাই পালন করবে বলে জানিয়েছিল। আবার জায়গা নিয়েও দু' পক্ষ সম্মুখ সমরে দাঁড়িয়েছিল। তবে ২১ জুলাই 'ধর্মতলা' কার, তার ফল বেরিয়ে গেল জুনের শেষ দিনেই। 

 

 

কলকাতা পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দ এদিন ২১ জুলাই ধর্মতলায় সভা প্রসঙ্গে সাফ জানান, 'ওখানে সাধারণত ১৪৪ ধারা জারি থাকে। কোনও মিটিং-মিছিলের অনুমতি দেওয়া হয় না। ওখানে কোনও মিটিং-মিছিলের অনুমতি দেওয়ার প্রশ্ন নেই।' 

 

পরিবর্তিত জায়গা নিয়ে সিদ্ধান্ত কী হবে? অজয় নন্দ জানান, যাঁরা সভা করতে চান, তাঁরা দাবি জানালে, তারপর হবে আলোচনা। 

 

তবে কালীঘাট তৃণমূল এবং টিম ঋতব্রত কেউই এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে চায়নি। তবে দু'পক্ষ এক বক্তব্যে এক, তারা ২১ জুলাই, শহিদ দিবস পালন করবেই। কালীঘাট তৃণমূল নতুন জায়গার খোঁজ শুরু করেছে বলে জানা গিয়েছে ইতিমধ্যেই। 

 

এর আগেই, ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি ঘিরে কলকাতায় রাস্তার ওপর অনুমতি ছাড়াই জমায়েত ও যান চলাচলে বাধা দেওয়ার অভিযোগে তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক কুণাল ঘোষ, সাংসদ দোলা সেন এবং বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে স্বতপ্রণোদিত এফআইআর দায়ের করে কলকাতা পুলিশ।

কলকাতা পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের পক্ষ থেকে স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে এফআইআর দায়ের করা হয় বলেই জানা যায় সোমবার। অভিযোগ, পুলিশের অনুমতি ছাড়াই রবিবার বেন্টিঙ্ক স্ট্রিটে জমায়েত করে ২১ জুলাইয়ের অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নিয়ে মাপজোকের কাজ করছিলেন কুণালরা। এর ফলে রাস্তায় যান চলাচল এবং সাধারণ মানুষের যাতায়াতে সমস্যা তৈরি হয়।

পুলিশের অভিযোগ অনুযায়ী, ২৮ জুন দুপুর ২.৫০ থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত বেন্টিঙ্ক স্ট্রিটে কুণাল ঘোষ (বিধায়ক), দোলা সেন (রাজ্যসভার সাংসদ), আইনজীবী বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় এবং আরও কয়েকজন জমায়েত করেন। ওই জমায়েতের কারণে রাস্তায় যান চলাচলের পথে বাধা সৃষ্টি হয় এবং নিত্যযাত্রীদের সমস্যার মুখে পড়তে হয়।

 

তার পরেই সামনে এল, স্থান নিয়ে সিদ্ধান্তের বিষয়টি। এখন দু'পক্ষ, কে কোথায় জায়গা খুঁজে নিচ্ছে, দেখার সেটাই।