পেট্রলে ২০ শতাংশ ইথানল মেশানোর জাতীয় নীতি নিয়ে দ্বন্দ্ব তৈরি হল খোদ সুপ্রিম কোর্টে।
2
8
মঙ্গলবার শীর্ষ আদালতে কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, এই কর্মসূচিটি এখনও এক প্রকার ‘পরীক্ষা-নিরীক্ষা’র স্তরেই রয়েছে। এর আসল প্রভাব কতটা, তা আগামী বছর স্পষ্ট হবে।
3
8
কেন্দ্রের এই মন্তব্যে গাড়িচালকদের উদ্বেগ আরও বেড়েছে। অনেকেরই আশঙ্কা, পেট্রলে ইথানলের মাত্রা বাড়লে পুরনো গাড়ির ইঞ্জিন বিগড়ে যেতে পারে, কমতে পারে মাইলেজও।
4
8
যদিও কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের দাবি, এই আশঙ্কার কোনও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। উল্টে আমেরিকা বা ব্রাজিলের মতো দেশেও এই প্রযুক্তি সফল। এর ফলে ভারতের বিপুল পরিমাণ বিদেশি মুদ্রার সাশ্রয় হচ্ছে।
5
8
আদালতে মামলাটি উঠেছিল রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থা ‘ভারত পেট্রলিয়াম’ (বিপিসিএল)-এর হাত ধরে। ইথানল বণ্টন সংক্রান্ত কর্নাটক হাইকোর্টের একটি নির্দেশকে সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জ করে তারা।
6
8
কেন্দ্রের পক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল আর ভেঙ্কটরামানি যুক্তি দেন, ২০২৫ সালের অক্টোবরের মধ্যেই সারা দেশের সরবরাহ চুক্তি চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে। এখন নতুন করে কোনও একটি সংস্থাকে বাড়তি ইথানল বরাদ্দ করতে গেলে গোটা জাতীয় নীতি ধাক্কা খাবে।
7
8
আদালতে এই নীতিকে ‘পরীক্ষা’ বললেও, পরে অবশ্য সুর নরম করেন অ্যাটর্নি জেনারেল। তিনি স্পষ্ট জানান, ২০% ইথানল মেশানোর সিদ্ধান্ত থেকে পিছপা হচ্ছে না সরকার।
8
8
লক্ষ্য সময়ের আগেই ছুঁয়ে ফেলে, এবার ২০৩০ সালের মধ্যে পেট্রলে ৩০% ইথানল মেশানোর লক্ষ্য নিয়েছে কেন্দ্র।