বর্ষার আগমন মানেই জ্বালাপোড়া গরমের হাত থেকে স্বস্তি। তবে একই শিখে আর্দ্রতার মাত্রা বেড়ে যায়। ফলে অনেক সময় ঘরে থাকলে অস্বস্তিবোধ হয়, চিপচিপে লাগে। ফলে এই সময় গরম কমলেও, স্বস্তি পেতে অনেকেই এসি ব্যবহার করেন। ছবি- সংগৃহীত
2
7
তবে বর্ষায় যদি স্বস্তি পেতে এভাবে এসি ব্যবহার করেন তাহলে যেমন একদিকে ইলেকট্রিক বিল কম আসবে। তেমনই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করবেন। ছবি- সংগৃহীত
3
7
অনেকেই ভাবেন এসির তাপমাত্রা কমালেই বোধহয় ঘর দ্রুত ঠান্ডা হবে। কিন্তু আদতে ১৮-২০ এর বদলে তাপমাত্রা যদি ২৪-২৬ ডিগ্রি রাখেন তাহলে কম্প্রেসারের উপর চাপ পড়বে না। বিল কম আসবে। এসির লাইফস্প্যান বাড়বে। একই সঙ্গে ঘরও ঠান্ডা থাকবে। ছবি- সংগৃহীত
4
7
কুল মোড থেকে ড্রাই মোডে শিফট করে যান এই সময়। এতে ঘর থেকে অতিরিক্ত আর্দ্রতা দূর হবে। ঘর ফ্রেশ থাকবে। ছবি- সংগৃহীত
5
7
এসি চালাবেন যখন তখন দরজা জানালা সমস্ত কিছু বন্ধ রাখুন। দরজা বা জানালা খোলা থাকে তাহলে এসির উপর চাপ বাড়ে। ফলে বৃদ্ধি পায় ইলেকট্রিক বিল। ছবি- সংগৃহীত
6
7
এয়ার ফিল্টারকে নিয়মিত পরিষ্কার করুন। বর্ষার সময় এসি ধুলো, ধোঁয়া, আর্দ্রতাকে শুষে নেয়। বেশি নোংরা জমা হয়ে গেলে এসি ঠিকভাবে কাজ করতে পারে না। চাপ পড়ে। ছবি- সংগৃহীত
7
7
এসির আউটডোর ইউনিটে ধুলো, ময়লা, কাদা জমছে কিনা দেখুন। এতেও কিন্তু এয়ার ফ্লো ব্যাহত হয়। কম্প্রেসারের উপর চাপ পড়ে। তাই সেদিকেও নজর দেওয়া প্রয়োজন। ছবি- সংগৃহীত