আজকাল ওয়েবডেস্ক: তারাতলা কাণ্ডে কালীকে 'তুলেছে' শুভেন্দু সরকার। আর তার পর থেকেই, কালীর সঙ্গেই কলম-দোয়াত নিয়ে জোর টানাটানি। কালীকে তুলকে কেন কলম, দোয়াত নয় র্যাডারে? কেউ বলছেন কান টানলেই আসবে মাথা। কেউ আবার ডেডলাইন দিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রীকে। এসব আলোচনার মাঝেই, সোমবার বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কালী-কলম-দোয়াত নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, 'আর একজন বলছেন, কালী তো গেছে, দোয়াত আর পেন যায়নি কেন? পেন যদি ফিরহাদ হাকিম হয়, তাহলে দোয়াতটার নাম মমতা ব্যানার্জি। তাহলে কালীর সঙ্গে যদি পেনযায়, তাহলে দোয়াতকেও যেতে হবে। একসঙ্গে সবাইকে যেতে হবে। কিন্তু এই সরকার প্রমাণ ছাড়া কিছু করবে না। জোগাড় করছি। প্রমাণ থাকলে কাউকেই ছাড়ব না। নিশ্চিন্তে থাকুন।'
তারপরেই সামনে এসেছে কুণাল ঘোষের একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট। কী লিখেছেন বেলেঘাটার বিধায়ক? কুণাল লিখেছেন, তারাতলা ইস্যুতে প্রাক্তন মেয়রের কথা আগে থেকে কুণাল তোলেননি, একইসঙ্গে তাঁর বক্তব্য, এই ঘটনায় তাঁর বিশ্লেষণ ঠিক। লিখেছেন-
'কালী, দোয়াত, কলম নিয়ে মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর বিধানসভার বক্তব্য শুনলাম। বিষয়টা হল তারাতলা ইস্যুতে প্রাক্তন মেয়রের কথা আমরা তুলিনি। আগের দিন উনিই একটি নথি দেখিয়ে তুলে বলেছেন,' কাউকে ছাড়া হবে না।' বলেছিলেন, কালীকে ধরেছি। কান টানলে মাথা আসবে।
একটি সই মানেই অপরাধ, এটা আমরাও বিশ্বাস করি না। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীই বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তুলেছিলেন যাতে মনে হয় সইয়ের পিছনে গল্প আছে।
তাই বলেছিলাম, যদি সত্যি সইটা অপরাধের হয়, বিকেল পাঁচটার মধ্যে গ্রেপ্তার করুন। না হলে প্রমাণিত হবে, সই দোষের নয়। রাজনৈতিক কারণে চাপ দিয়ে তৃণমূল থেকে বালিশশিবিরে পাঠানোর জন্য বিধানসভায় সইয়ের কথা বলা হয়েছিল।
মুখ্যমন্ত্রীর সোমবারের এবিষয়ে বিবৃতি প্রাক্তন মেয়র নিয়ে রক্ষণাত্মক এবং আগের দিনের স্পিরিট থেকে বিচ্যুত।
তাই দ্বিতীয় সম্ভাবনাটিকেই সত্য বলে ধরছি। শুধু চাপে রাখা।
* প্রসঙ্গত, ববিদার সঙ্গে আমার সম্পর্ক ভালো। মুখ্যমন্ত্রী নিজে ওর সইপ্রসঙ্গ তোলায় আমি বিবৃতি দিয়েছিলাম। এখন প্রমাণিত, আমার বিশ্লেষণ ঠিক।'














