আজকাল ওয়েবডেস্ক: জমি জালিয়াতি মামলায় ইডি দপ্তরে হঠাৎ হাজিরা দিলেন বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা পাপ্পু। এর আগে একাধিকবার তাঁকে খুঁজেছে ইডি। কিন্তু নাগাল পায়নি কোনওদিনই। এরপর এপ্রিল মাসের শুরুতেই একাধিক জায়গায় অভিযান চালায় ইডি। যদিও শেষ পর্যন্ত সোনা পাপ্পুর নাগাল পায়নি ইডি। সেই বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা পাপ্পু সোমবার সকালে সরাসরি ইডি দপ্তরে এসে হাজির হন। তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, তিনি বাড়িতেই ছিলেন, তাঁকে দেখা করতে বলা হয়েছিল, তাই তিনি দেখা করতে এসেছেন। 

এর আগে জমি মামলায় জয়েশ কামদার ও শান্তনু সিনহা বিশ্বাসকে গ্রেপ্তার করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। যদিও সোনা পাপ্পুর নাগাল কোনওভাবেই পায়নি ইডি। এদিন সকালে হঠাৎই তিনি হাজির হন ইডি দপ্তরে। তাঁকে সাংবাদিকরা জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, 'আমি কোনও তোলাবাজির সঙ্গে যুক্ত নই। আমি, আমার বাবা দু'জনেই সোনার ব্যবসায়ী। কোনওদিন কোনও অবৈধ আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে আমি যুক্ত নই। জয়েশ কামদারের সঙ্গে আমি পরিচিত, ব্যবসায়িক কোনও লেনদেন হয়নি। আমি কোনওদিন কোনও তোলাবাজির সঙ্গে যুক্ত নই, কোনও অবৈধ আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে যুক্ত নই।'

কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা দফতর সূত্রে খবর, আর্থিক প্রতারণা ও তোলাবাজি-সহ একাধিক অভিযোগ রেয়েছে সোনা পাপ্পুর বিরুদ্ধে। এর আগে একাধিকবার তাঁকে তলব করা হয়েছিল, যদিও হাজির হননি সোনা পাপ্পু। বদলে ফেসবুক লাইভ করে নিজেকে নির্দোষ বলে প্রমাণ করার চেষ্টা করেছিলেন। ইডির খাতায় কলমে অবশ্য় এতদিন নিখোঁজ ছিলেন, কিন্তু এদিন ইডি দফতরে হাজির হওয়ার সময় সাংবাদিকরা জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, 'আমি কোথাও পালিয়ে যাইনি, বাড়িতেই ছিলাম।' ফলে নিখোঁজ হওয়ার তত্ত্বও অস্বীকার করেছেন তিনি। এর আগে কলকাতা পুলিশের ডিসি শান্তনু সিনহা বিশ্বাসকে গ্রেফতার করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।  জমি দুর্নীতি তোলাবাজির ক্ষেত্রে যে বিশাল চক্র কাজ করেছে, শান্তনু, বিশ্বজিৎ থেকে জয়েশ কামদার, সকলেই জড়িত বলে মনে করা হচ্ছে।