আজকাল ওয়েবডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর বুধবার প্রথম বারের জন্য় বিধানসভায় পা রাখলেন শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রামের বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে ভবানীপুর কেন্দ্রকে বেছে নিলেন শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রামের ভূমিপুত্র হিসেবে পরিচিত তিনি। কিন্তু এবার ভবানীপুর থেকেই রাজনৈতিক লড়াই চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। মমতা ব্যানার্জির শক্ত ঘাঁটিতে তাঁকে পরাজিত করে মুখ্যমন্ত্রীর পদে বসেন শুভেন্দু। আর বিধানসভায় পা রেখেই শুভেন্দু তৃণমূল বিধায়কদের একাংশকে নিয়েও যা বললেন, তাতে বর্তমান বিরোধী দলের অন্দরে রীতিমতো কাঁপন ধরতে পারে।
কী বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী? এদিন বিধানসভায় শুভেন্দুর ঘরে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে আসেন একাধিক তৃণমূল বিধায়ক। এরপরই শুভেন্দু বলেন, ''তৃণমূলের একাধিক বিধায়ক আমাকে বলেছেন, আমরা স্বাধীনতা পেলাম"। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, দীর্ঘদিনের এক রুদ্ধশ্বাস পরিস্থিতির অবসান ঘটিয়ে এখন এক মুক্ত বাতাবরণ তৈরি হয়েছে। এখন থেকে সরকারি কাজে স্বচ্ছতা বজায় রাখাই হবে এই নতুন প্রশাসনের প্রধান কাজ।
এদিন বিধানসভা ভবনে প্রবেশ করার পর সবথেকে বড় চমক ছিল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ঘরে একাধিক তৃণমূল বিধায়কের উপস্থিতি। সৌজন্যের কারণেই হোক বা 'অন্য' কারণেই হোক, এদিন শুভেন্দুর ঘরে যান হরিহরপাড়ার তৃণমূল বিধায়ক নিয়ামত শেখ, সুতির তৃণমূল বিধায়ক ইমানি বিশ্বাস, রঘুনাথগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক আখরুজ্জামানেরা। এরপরই তৃণমূল বিধায়কদের নিয়ে শোরগোল ফেলে দেওয়া মন্তব্য় করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
বুধবার বিধানসভায় নবনির্বাচিত বিধায়ক হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী। প্রোটেম স্পিকার তাপস রায় তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান। ২০২৬ সালের হাইভোল্টেজ বিধানসভা নির্বাচনে নিজের শক্ত ঘাঁটি নন্দীগ্রামের পাশাপাশি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কেন্দ্র ভবানীপুর থেকেও লড়াই করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। দুই আসনেই তিনি জয়ী হন। নন্দীগ্রামে পবিত্র করকে হারানোর পাশাপাশি ভবানীপুরেও নিজের জয়ের পতাকা ওড়ান তিনি।















