একই ছাদের নিচে বাস, অথচ একই জিনিস ভাগাভাগি চলবে না? শুনতে খটকা লাগলেও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সুস্থ থাকতে এই ‘দূরত্ব’ বজায় রাখা জরুরি।
2
8
স্বামী-স্ত্রী হোক বা পরিবারের অন্য সদস্য- ব্যক্তিগত কিছু সামগ্রী আদান-প্রদান করলে আদতে বিপদই বাড়ে। কারণ, ভালোবাসা ভাগ করে নেওয়া গেলেও ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাক ভাগ করে নেওয়া মোটেই বুদ্ধিমানের কাজ নয়।
3
8
বাড়িতে চিরুনি ভাগাভাগি করার চল দীর্ঘদিনের। কিন্তু একজনের মাথার ত্বকের মৃত কোষ, তেল বা খুশকি চিরুনির দাঁতে জমে থাকে। অন্যের চিরুনি ব্যবহার করলে অচিরেই দাদ, ছত্রাক সংক্রমণ বা উকুনের সমস্যা আপনার মাথায় বাসা বাঁধতে পারে। তাই নিজস্ব চিরুনি ব্যবহার করা উচিৎ।
4
8
তোয়ালে ভেজা থাকলে সেখানে জীবাণু দ্রুত বংশবৃদ্ধি করে। অন্যের ব্যবহৃত তোয়ালে থেকে ত্বকের র্যাশ এমনকী চোখের সংক্রমণও হতে পারে। তাই তোয়ালে কখনওই ভাগ করবেন না। পাশাপাশি ব্যবহারের পর তা কড়া রোদে শুকিয়ে নেওয়া জরুরি।
5
8
একই সাবান বাড়ির সবাই মিলে ব্যবহার করার অভ্যাস অনেকেরই আছে। কিন্তু সাবানের গায়ে লেগে থাকা অন্যের ত্বকের ব্যাকটেরিয়া আপনার শরীরে সংক্রমণ ঘটাতে পারে। একান্ত প্রয়োজনে লিক্যুইড সোপ বা তরল সাবান ব্যবহার করা অনেক বেশি নিরাপদ।
6
8
একই রেজার ব্যবহার করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। শেভ করার সময় অনেক ক্ষেত্রে ত্বকে সূক্ষ্ম ক্ষত তৈরি হয়। তা খালি চোখে দেখা যায় না। সেই রেজারে লেগে থাকা রক্ত থেকে হেপাটাইটিস বি বা সি-এর মতো মারণ রোগ ছড়িয়ে পড়ার প্রবল আশঙ্কা থাকে।
7
8
ঘাম থেকে বগলে ব্যাকটেরিয়া জন্মায়। রোল-অন ডিওডোরেন্ট সরাসরি ত্বকের সংস্পর্শে আসে। তাই অন্যের ব্যবহৃত রোল-অন ব্যবহার করলে ত্বকের জ্বালা বা দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী জীবাণু সহজেই আপনার শরীরে চলে আসতে পারে।
8
8
সামান্য সতর্কতা বজায় রাখলেই বড় কোনও বিপদ এড়ানো যাবে৷ তাই বিশেষজ্ঞদের মত ব্যক্তিগত ব্যবহারের জিনিস স্বামী-স্ত্রী এমনকী পরিবারের অন্য কারোর সঙ্গেই 'শেয়ার' করা উচিত নয়।