আজকাল ওয়েবডেস্ক: শুক্রবার বিকেলে কালীঘাট থেকে বেরোল গাড়ি। বেরোলেন মমতা ব্যানার্জি। গাড়ির কাচ নামানো, হাসিমুখে, হাত নাড়লেন নেত্রী। তারপর বেরিয়ে গেল গাড়ি। গেলেন কোথায় নেত্রী? জোর জল্পনা।
প্রথমেই আজনা গিয়েছিল, যাচ্ছেন কোনও পরিচিতের বাড়ি। সূত্রের খবর মমতা ব্যানার্জি তাঁর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সহকর্মী সুব্রত বক্সির বাড়ি যান মমতা। সুব্রত বক্সির শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতেই যান বলে তথ্য সূত্রের।
দল ভোটে হারার পর থেকে ক্রমাগত রক্তক্ষরণ দলের অন্দরে। নেতা নেত্রীদের দলত্যাগ, ক্ষোভ প্রকাশ। তার মাঝেই শুক্রবার জানা যায়, তৃণমূল নেত্রী মমতা ব্যানার্জি ও দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক ব্যানার্জির থেকে হলফনামা তলব করেছে আদালত।
এতদিন ২১ জুলাই রাস্তা বন্ধ করে তৃণমূলের শহিদ দিবস উদযাপন করা হয়েছে। যা নিয়ে আদালত অবমাননার অভিযোগ উঠেছে। এবার সেই অভুযোগের প্রেক্ষিতেই তৃণমূল নেত্রী মমতা ব্যানার্জি ও দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক ব্যানার্জির থেকে হলফনামা তলব করেছে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অরিজিৎ ব্যানার্জির ডিভিশন বেঞ্চ। ৪ সপ্তাহের মধ্যে হলফনামা তলব করা হয়েছে।
এছাড়, এই জনস্বার্থ মামলায় পাল্টা হলফনামা দিতে বলা হয়েছে মামলাকারী অক্ষ্ময় সারেঙ্গীকে। তাঁকে দু'-সপ্তাহ সময় দিয়েছে উচ্চ আদালত।
কোনও সভার জন্য শহরের কোনও বড় বা প্রধান রাস্তা পুরোপুরি বন্ধ করা যাবে না, ২০১৮ সালে হাইকোর্টের বিচারপতি জ্যোতির্ময় ভট্টাচার্য ও বিচারপতি অরিজিৎ ব্যানার্জির বেঞ্চ এই রায় দিয়েছিল। সেই রায়ে উল্লেখ ছিল, যানবাহন, পথচারী, অ্যাম্বুল্যান্সের জন্য রাস্তার একদিক খোলা রাখতে হবে। এমনকি বিকল্প রাস্তার ব্যবস্থাও করতে হবে। পুরো বিষয়টি আগে থেকে সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে জানাতে হবে।
অভিযোগ, ২০২৫ সালের ২১ জুলাই ধর্মতলায় রাস্তা বন্ধ করে সভার আয়োজন করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। সেবার আদালত অবমাননার অভিযোগ উঠেছিল রাজ্যের তৎকালীন শাসক দলের বিরুদ্ধে।
সেই ঘটনায় হয় আদালত অবমাননার জনস্বার্থ মামলা। তার প্রেক্ষিতেই গত ১৯ জুন হাইকোর্ট এই বিষয়ে মমতা ব্য়ানার্জি এবং অভিষেককে নোটিস দেয়।
এই মামলার পরবর্তী শুনানি ১৭ আগস্ট। এই পরিস্থিতিতে মমতা শুক্রবার বাড়ি থেকে বেরোতেই জল্পনা হয়, তাঁর গন্তব্য নিয়ে।















