আজকাল ওয়েবডেস্ক: ভোটের পর থেকে, একের পর এক মামলা তাঁর নামে। বারেবারে আদালতের দ্বারস্থ হলেও, মিলছে না স্বস্তি। একদিকে চোখের সমস্যা, অন্যদিকে গলার স্বর, সব নিয়ে জেরবার। তার মাঝেই সই জাল কাণ্ডে স্বস্তি মিলল অভিষেকের। শুক্রবার বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ জানিয়েছেন, ১৭ জুলাই পর্যন্ত রক্ষাকবচ থাকবে অভিষেকের। অভিষেকের এইমামলার শুনানি চলে মূলত বিচারপতি কৌশিক চন্দের এজলাসে, কিন্তু তিনি বর্তমানে রয়েছেন সার্কিট বেঞ্চে। শুক্রবার শুভ্রা ঘোষের জরুরি বেঞ্চ জানায়, ১৭ জুলাই পর্যন্ত সই জালিয়াতি মামলায় রক্ষাকবচ মিলবে অভিষেকের। অর্থাৎ ওই সময়কালের মধ্যে, অভিষেকের বিরুদ্ধে কোনও দমনমূলক আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা যাবে না। একইসঙ্গে শর্ত দেওয়া হয়েছে, তদন্তে সহায়তা করতে হবে অভিষেককে।
সই জাল কাণ্ডে হইচই। একপ্রকার ভেঙে গেল তৃণমূল এই এক কাণ্ডেই। অভিযোগ, বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হিসেবে, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম প্রস্তাবের যে রেজলিউশন দেওয়া হয়েছিল, সেখানে সই জালিয়াতি করা হয়েছিল একাধিক বিধায়কের। রিতব্রত-সন্দীপনের অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ের হয় মামলা। সই জালিয়াতি মামলায় সিআইডি দপ্তরে গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে হয়েছিল।
অন্যদিকে, ডিজে মন্তব্য মামলায় ব্যাপক অস্বস্তিতে তৃণমূলের সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জি। এই মামলায় সিআইডি'র কাছে হাজিরাও দিয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে বিরোধিতা করছেন কন্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের নির্দেশে। অভিষেকের দাবি, তিনি অস্বীকার করেননি, ওই মন্তব্য তাঁর নয়। তিনি স্বীকার করেছেন। তাহলে কেন কন্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ?
৩০ জুন এই মামলায় তাঁকে বিধাননগর আদালতে হাজিরা দেওয়ার কথা জানানো হয়েছিল। একই সঙ্গে ৩০ জুন অভিষেকের আর্জির শুনানি ছিল আদালতে। বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে দ্রুত শুনানির আর্জি জানিয়েছিলেন তিনি। ৩০ জুনের তলবে সাড়াও দেননি তৃণমূল সাংসদ। তাঁকে ৮জুলাই পুনরায় হাজিরা দিতে হবে।
অন্যদিকে, বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন অভিষেক ব্যানার্জির আইনজীবীরা। কন্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ মামলায় দ্রুত শুনানির আর্জি জানানো হয়েছিল। যদিও তা খারিজ হয়ে যায়। সূত্রের খবর, আদালত জানিয়েছে, এই মামলার শুনানি হবে না মঙ্গলবারের আগে। মঙ্গলে ফের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে হবে।















