আজকাল ওয়েবডেস্ক: এসএসকেএম হাসপাতালে রহস্য মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য। হাসপাতালের মেন ব্লকের উল্টো দিকে গাস্ট্রো ওপিডি-তে, চার তলার আট নম্বর ঘর থেকে বৃহস্পতিবার সকালে ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। জানা গিয়েছে, মৃতের নাম ইমরান সর্দার। তিনি হাসপাতালের গ্যাস্ট্রো বিভাগে চুক্তিভিত্তিক সাফাইকর্মী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
এ দিন সকাল দশটা নাগাদ হাসপাতালে কর্মীরা ইমরানের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পায়। এরপরই খবর দেওয়া হয় পুলিশে। ভবানীপুর থানার পুলিশ এসে ঘরের দরজা ভেঙে দেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পাঠায়। ১০টার আগে হাসপাতালে আউটডোর তখনও শুরু না হওয়ায় সেখানে কেউ ছিলেন না। দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। তাই পরে দরজা ভেঙে দেহ উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। পুলিশের প্রাথমিকভাবে অনুমান ইমরান সর্দার আত্মঘাতী হয়েছেন। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলে তবেই পুরো বিষয়টা স্পষ্ট হবে।
এসএসকেএম-এ এই কাণ্ডের আগে আরজি করে ঘটে যায় মর্মান্তিক ঘটনা। ছেলের হাত ভেঙে যাওয়ায় তাকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য ভোরবেলায় আরজি কর হাসপাতালে এসেছিলেন দমদমের বাসিন্দা অরূপ ব্যানার্জি। ছেলে স্ত্রী-সহ আটকে পড়েন ট্রমা কেয়ার বিভাগের লিফটে। এক ঘণ্টা আটকে থাকার পর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় অরূপবাবুর।
এই ঘটনায় ওই সরকারি হাসপাতালে আতঙ্ক ছড়ায়। বিক্ষোভে ফেটে পড়েছেন অন্যান্য অনেক রোগীর পরিজনেরা। কেন ট্রমা কেয়ার বিভাগে কোনও লিফটম্যান থাকে না,তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তারা।
