আজকাল ওয়েবডেস্ক: পরপর নোটিস পেয়েছেন। নোটিস বাসভবন নিয়ে। সেসব গুঞ্জনের মাঝেই, কালীঘাটের বৈঠকে মুখ খুলেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক, ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জি।
সূত্রের খবর, কালীঘাটে মঙ্গলের বৈঠকে অভিষেক বলেন, 'ওরা যা খুশি করুক- আমার বাড়ি ভেঙে দিক, নোটিশ পাঠাক,আমি এসবের কাছে মাথা নত করব না। যা-ই ঘটুক না কেন, বিজেপির বিরুদ্ধে আমার লড়াই চলবেই।'
একের পর এক নোটিস। নোটিস তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক ব্যানার্জিকে। এর আগেই জানা গিয়েছিল, কালীঘাট রোড এবং হরিশ মুখার্জি রোডের দুটি বাড়ি নির্মাণ সংক্রান্ত পরিকল্পনা ও অনুমোদন সংক্রান্ত নথি জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে অভিষেককে। কলকাতা পুরসভা সূত্রে খবর, সংশ্লিষ্ট দুই বাড়ির বিল্ডিং প্ল্যান জমা দিতে বলা হয়েছে অভিষেক ব্যানার্জিকে। পাশাপাশি ওই বাড়িগুলির সমস্ত নির্মাণকাজ কলকাতা পুরসভার অনুমোদন নিয়ে হয়েছে কি না, সে বিষয়েও স্পষ্ট ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।
তার পরেই সামনে আসে আরও একটি নোটিস। সূত্রের খবর লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস'কে চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছে, কলকাতা পৌর কর্পোরেশন আইন, ১৯৮০-এর ধারা 400(1) অনুসারে, নোটিস জারির তারিখ থেকে ৭ দিনের মধ্যে ১৮৮এ, হরিশ মুখার্জি রোডের নির্দিষ্ট ঠিকানায় অবস্থিত বাড়ির অননুমোদিত অংশগুলি ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যদি তা ভাঙা না হয়, তাহলে কেন ভাঙা হল না, তার কারণ দর্শাতে হবে। অর্থাৎ কারণ দর্শাতে হবে, কলকাতা পৌর কর্পোরেশন আইন, ১৯৮০-এর শর্তাবলী লঙ্ঘন করে এবং বিধান ভঙ্গ করে উপরোক্ত ঠিকানায় কেন অঅনুমোদিত অংশ ভেঙে ফেলা হল না। সূত্রের খবর তেমনটাই।
যদিও সূত্রের খবর, মোট দুটি নোটিস পাঠানো হয়েছে। একটি অভিষেকের মায়ের নামে এবং অপরটি লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের নামে। সূত্রের খবর, অবৈধ নির্মাণ প্রসঙ্গে সাতদিনের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ খতিয়ে দেখবে, জবাব সন্তোষজনক কি না।
মঙ্গলবার কালীঘাটে দলের বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন মমতা-অভিষেক। সেখানেই এই প্রসঙ্গের উত্থাপন করেন অভিষেক, সূত্রের খবর তেমনটাই।
সূত্রের খবর, হাওড়া, শিয়ালদহ স্টেশনে উচ্ছেদের প্রতিবাদে ২১ মে প্রতিবাদে নামছে তৃণমূল কংগ্রেস।














