আজকাল ওয়েবডেস্ক: একের পর এক দিন পেরিয়ে যাচ্ছে। যুদ্ধ পরিস্থিতি থামার কোনও লক্ষণ নেই। আতঙ্ক উলটে এবার বেশি হচ্ছে। আশঙ্কা, এবার কি তবে যুদ্ধে যোগ দিচ্ছে চীন? সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যম সূত্রে তথ্য, পূর্ব চীন সাগরে হাজার হাজার চীনা মাছ ধরার নৌকা জ্যামিতিক আকারে জড়ো হচ্ছে। কেন এই পরিস্থিতি ভাবনা বাড়াচ্ছে? তথ্য, বিশেষজ্ঞদের মতে সম্ভাব্য আঞ্চলিক সংকট বা সংঘাতের জন্য বেজিংয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে। মাঝ সমুদ্রের যে ছবি সমানে আসছে, তা তারই অংশ। এই পরিকল্পনা আবার একাব্রে নতুন নয়। বেশ কিছুমাস আগে থেকেই মাঝ সমুদ্রে মহড়া চলছে বলে দাবি করা হয়েছে একাধিক সূত্রে।
একে অপরের ৫০০ মিটার (১,৬৪০ ফুট) কাছাকাছি থাকা জাহাজগুলি, প্রায় ৩০ ঘন্টা ধরে ঝোড়ো বাতাসের মধ্যে একই জায়গায় জড়িও হয়েছিল, তারপর সেগুল আচমকা ছড়িয়ে পড়ে। সেই মুহূর্তের বেশকিছু ছবি, ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে বলেও দাবি করা হয়েছগে। ingeniSPACE-এর প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা ওয়াং, মূলত উপগ্রহ চিত্র এবং জাহাজের সংকেত তথ্য বিশ্লেষণ করে্ন, এই ঘটনা প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, "কিছু একটা আমার কাছে ঠিক মনে হয়নি।' কারণ হিসেবে তিনি জানিয়েছেন, মূলত এক থেকে দুই, কিড়ি, ৩০০টি মাছ ধরার নৌকাকে একত্রিত হওয়ার ঘটনাকে স্বাভাবিক বলে মনে করতে পারেন, কিন্তু হাজার নৌকা একই সময়ে, নির্দিষ্ট ছকে, একই জায়গায়? তা তাঁর কাছে স্বাভাবিক মনে হয়নি।
সামুদ্রিক ও সামরিক বিশেষজ্ঞরা সংবাদ মাধ্যম এএফপিকে জানিয়েছেন, ২৫ ডিসেম্বর তাইওয়ানের প্রায় ৩০০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে চীনা মাছ ধরার নৌকাগুলির বিশাল সমাবেশ হয়েছিল। এর আগে এই ধরনের জমায়েত লক্ষ করা যায়নি। এর ঠিক পরে পরেই, জানুয়ারির শুরুতে আরও একটি ঘটনা চোখে পড়ে। যেখানে প্রায় ১,০০০ চীনা মাছ ধরার নৌকা পূর্ব চীন সাগরের একই অঞ্চলে এক দিনেরও বেশি সময় ধরে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার দীর্ঘ অসম আয়তক্ষেত্রাকারে জড়ো হয়ে ছিল। গত সপ্তাহে, যুদ্ধাবস্থার মধ্যে, অন্তত ১২০০ নৌকা একত্রিত হয় বলে জানা গিয়েছে।
'প্রেস টিভি'-তে প্রকাশিত এবং ইরানের 'পবিত্র নবীর কেন্দ্রীয় সদর দপ্তর' উদ্ধৃত করে প্রচারিত এক বিবৃতিতে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস দাবি করেছে যে, এই হামলার ফলে রণতরীটি অকার্যকর হয়ে পড়ে এবং এর অন্তর্ভুক্ত স্ট্রাইক গ্রুপটি (হামলাকারী দল) দ্রুতগতিতে ওই এলাকা ত্যাগ করতে বাধ্য হয়।
