আজকাল ওয়েবডেস্ক: পহেলগাঁও হামলা। শুরু থেকেই ভারতের দাবি ছিল, এই ভয়াবহ হত্যা লীলায় হাত রয়েছে পাকিস্তানের। পাকিস্তানের মদতপুষ্ট সন্ত্রাসীরাই এই কার্যকলাপ চালিয়েছে। পহেলগাঁও হামলার প্রত্যাঘাত ভারতের ‘অপারেশন সিঁদুর।‘ মধ্যরাতে পাকিস্তানের একাধিক জঙ্গিঘাঁটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় ভারত। গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। ভারত পাক সংঘর্ষবিরতির মাসখানেকের মাথায় জানা যাচ্ছেন, ভারতের গুঁড়িয়ে দেওয়া ‘টেরর লঞ্চপ্যাড' ফ’র তৈরি করতে পাকিস্তান।


সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, নজরদারি এবং আক্রমণ এড়াতে নিয়ন্ত্রণ রেখা (এলওসি) বরাবর ঘন বনাঞ্চলে ছোট এবং উচ্চ প্রযুক্তির সন্ত্রাসী স্থাপনা তৈরি করা হচ্ছে। 

উন্নত প্রযুক্তিতে সজ্জিত এসব ক্যাম্প তাপ, রাডার ও স্যাটেলাইট চিহ্ন এড়াতে সক্ষম। ঘাঁটিগুলিকে ভাগ করে রাখা হচ্ছে—প্রতিটি ক্যাম্পে ২০০-র কম জঙ্গি। নিরাপত্তায় থাকছে পাকিস্তান সেনার বিশেষ বাহিনী। গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, বাহাওয়ালপুরে এক গোপন বৈঠকে মিলিত হয় জইশ-ই-মহম্মদ, লস্কর-ই-তইবা, হিজবুল মুজাহিদিন ও ‘দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট’-এর শীর্ষ নেতারা।

 

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মে মাসে অপারেশন সিন্দুরের অধীনে ভারতের সামরিক হামলায় ধ্বংস হওয়া সন্ত্রাসী লঞ্চপ্যাড এবং প্রশিক্ষণ শিবিরগুলি পাকিস্তান পুনর্নির্মাণ শুরু করেছে। পাকিস্তানি সেনাবাহিনী, গুপ্তচর সংস্থা ইন্টার-সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্স (আইএসআই) এবং সরকারের সহায়তাতেই তৈরি হচ্ছে সেগুলি।

কোথায় তৈরি হচ্ছে? জানা যাচ্ছে, মূলত পাক-অধিকৃত কাশ্মীর (পিওকে) এবং সংলগ্ন অঞ্চলে সন্ত্রাসী অবকাঠামোর এই গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলি পুনর্নির্মাণের চেষ্টা চালাচ্ছে।