আজকাল ওয়েবডেস্ক: ডাইনো যুগে বহু প্রাণীরা হারিয়ে গিয়েছিল। সেখান থেকে তাদের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে নানা ধরণের জীবাশ্ম বা ফসিল থেকে। এবার তেমনই এক ফসিলের সন্ধান দিল ১১ বছরের একটি বালিকা।


ইংল্যান্ডের পশ্চিম সমুদ্র তীরে প্রতিদিনের মতো ঘুরছিল মেয়েটি। তারপর হঠাৎ করে সে দেখে ফেলে বিরাট আকারের একটি জলের প্রাণী মৃত অবস্থায় তীরে এসেছে। তাকে খেয়ে ফেলছে পাড়ে থাকা কয়েকটি কুকুর। তবে আকারে সেটি এতটাই বড় যে সেখান থেকে তাক খেয়ে ফেলা যথেষ্ট কঠিন ছিল। এরপর যখন সেখানে মানুষদের ডেকে নিয়ে আসে তখন দেখা যায় এই বিরাট প্রাণীটির মুখটি প্রায় সাড়ে ছয় ফুট চওড়া। তাহলেই ভেবে দেখুন প্রাণীটির দেহটি কতটা বড় ছিল।


বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন এটি ২০২ বছর আগের একটি প্রাণীর ফসিল। যেটি ট্রায়াসিক পিরিয়ডের। তবে কীভাবে এই প্রাণীর ফসিল সমুদ্রতীরে এল তা নিয়ে চিন্তিত সকলেই। তাহলে কী এটি এত বছর ধরে জলের তলায় ছিল এবং সেটি সমুদ্র পাড়ে এল কীভাবে এল সেটি এখন সবথেকে বড় প্রশ্ন।


যে ১১ বছরের মেয়েটি এই ফসিল দেখেছে সে জানিয়েছে এই কাজটি করতে পেরে সে খুব খুশি। এই ধরণের গল্প সে বইয়ের পাতায় পড়েছে। তবে এবার সামনে থেকে দেখতে পেরে সে অবাক হয়েছে। ফসিলের বিভিন্ন হাড় পরীক্ষা করে গবেষকরা মনে করছেন এটি বিরাট আকারের একটি জলের দানব ছিল। তবে বহু বছর ধরে এটি জলের তলায় কীভাবে ছিল সেটি বুঝতে পারছেন না তারা।


গবেষকরা মনে করছে এমন আরও ফসিল তাহলে কী জলের তলায় রয়েছে। যে আকারের ফসিল সামনে এসেছে তা থেকে অনুমান করা যায় যে এটি অতি প্রাচীন প্রাণী ছিল যে জলের নিচে রাজত্ব করত।


অনুমান করা হচ্ছে এই প্রাণীটি লম্বায় প্রায় ৮২ ফুট ছিল। বর্তমানে জলের নিচে এতবড় প্রাণীর দেখা মেলা ভার। সেদিক থেকে দেখতে হলে এই ফসিল আগামীদিনে অনেক কাজে সহায়তা করতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।