আজকাল ওয়েবডেস্ক: দুবাইতে ঘটতে চলেছে বেশ কিছু বদল। এপ্রিল ২০২৬ থেকে ব্যাঙ্ক, শিক্ষা, বিমানব্যাবস্থা ও অস্থায়ী বাসিন্দাদের জন্য বদলাচ্ছে নিয়ম। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনের দাবি তেমনটাই।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সংযুক্ত আরব আমিরশাহির ব্যাঙ্কগুলি ওটিপি ব্যাবস্থা সরিয়ে দিচ্ছে। ওটিপি একটি এককালীন পাসওয়ার্ড। ফোনে এসএমএস-এর মাধ্যমে একটি পাসওয়ার্ড পাঠানো হয়ে থাকে। সেই পাসওয়ার্ড বা পিন ব্যবহার করে অনেক বড় অঙ্কের টাকার লেনদেন সম্ভব হয়। আগামী এপ্রিল থেকে সেই ব্যবস্থা তুলে দিচ্ছে আমিরশাহি। গত বছরের জুলাই মাসে আরবের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কে এই নিয়ম আসে, তবে তা সম্পূর্ণ রুপে চালু হতে চলেছে আগামী এপ্রিলে। গ্রাহকেরা ওটিপির পরিবর্তে ব্যবহার করবেন ব্যাঙ্কের নিজস্ব অ্যাপ্লিকেশন। ফোনের মাধ্যমেই করতে পারবেন। আমিরশাহির দাবি এর ফলে বাড়বে সুরক্ষা। তাদের মতে ওটিপি ব্যবস্থার চেয়ে অনেক বেশি সুরক্ষিত ব্যবস্থা এটি।
এদিকে ছাত্রছাত্রীদের জন্যও বদলাতে চলেছে নিয়ম। ২০২৩-এর মার্চ থেকে বহু ছাত্রছাত্রী ঘরে বসে লেখাপড়া করছেন। সে দেশের সরকারের নির্দেশ, আগামী ৩ এপ্রিল থেকে বাড়ি থেকে লেখাপড়া করা চলবে না। আসতে হবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। এই নির্দেশ শুধু সরকারি স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়েই প্রযোজ্য এমনটা নয়, বেসরকারি সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকেও মানতে হবে এই নির্দেশ।
অন্যদিকে, পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের জন্য দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বহু দেশের বিমান অবতরণ করছিল না। তবে আগামী এপ্রিল থেকে সেই সমস্যা খানিক মিটছে বলে দাবি সূত্রের। এয়ার ফ্রান্স ২ এপ্রিল থেকে দুবাই বিমানবন্দর ব্যবহার করতে চলেছে পুনরায়। পাশাপাশি তুরস্ক এয়ারলাইনস সিদ্ধান্ত নিয়েছিল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখবে দুবাইতে বিমানের অবতরণ। তবে মার্চ শেষ হলে আবার তারা পরিষেবা শুরু করবে।যাত্রীদের তেমন তথ্যই প্রদান করা হয়েছে।
এর পাশাপাশি, বাতিল হচ্ছে অস্থায়ী বাসিন্দাদের পুরনো অনুমতিপত্র। যাঁরা আরব আমিরশাহির বাসিন্দা, কোনও কারণে দেশের বাইরে থাকছেন, তাঁরা দেশে ফিরতে চাইলে ৩১ মার্চ অবধি পুরনো অনুমতিপত্র প্রযোজ্য। তারপর প্রয়োজন পড়বে নতুন অনুমতিপত্রের। তখন আবারও দেখাতে হবে নিজের পরিচয়পত্র, নিতে হবে নতুন করে অনুমতি। তারপর দেশে ফেরা।
দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার অভিপ্রায়ে এই বদলগুলি করা হয়েছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। এর ফলে মসৃণ হতে পারে দেশের শিক্ষা, ভ্রমণ এবং নিজেদের টাকাপয়সা নিয়ে নিশ্চিন্ত হতে পারেন সাধারণ বাসিন্দারা।
