আজকাল ওয়েবডেস্ক: যুদ্ধ থামছেই না। ইরান শান্ত থাকার বার্তা দিয়েও ফের হামলা চালিয়েছে বলে তথ্য। অন্যদিকে আবার ব্রিটেনকে প্রচ্ছন্ন হুমকি দিয়ে বসলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট। হুমকি দিলেন এক সময়ের 'মহান মিত্র'কেই। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট দিয়েছেন। আর জল্পনা সেখান থেকেই, এবার কি ব্রিটেন ও জড়িয়ে পড়ছে পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধে ক্ষেত্রে? নাকি আমেরিকাকে সাহায্য করতে এসে উলটে নিজেদের বিপদ বাড়িয়ে বসল ব্রিটেন?
ট্রুথ সোশ্যাল ট্রাম্প সংক্ষিপ্ত বার্তায় লিখেছেন- 'আমাদের একসময়ের ভাল বন্ধু, সম্ভবত তাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ, ব্রিটেন অবশেষে পশ্চিম এশিয়ায় দুটি বিমানবাহী রণতরী পাঠানোর বিষয়ে গুরুত্ব সহকারে চিন্তাভাবনা করছে। ঠিক আছে, প্রধানমন্ত্রী স্টার্মার, আমাদের আর তাদের প্রয়োজন নেই - তবে আমরা মনে রাখব। আমাদের এমন লোকের প্রয়োজন নেই, আমরা যুদ্ধে জয়লাভ করার পরে যাঁরা যোগ দেন!'
এই প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, ইরান-ইজরায়েল সং ঘর্ষে আমেরিকা যেমন একেবারে গোরা থেকে যুক্ত থেকেছে, তেমনই শুরু থেকেই ট্রাম্প সমালোচনা করেছেন ব্রিটেনের। ট্রাম্পের অভিযোগ, এই যুদ্ধে ব্রিটেন কার্যত আমেরিকাকে কোনও সাহায্য করেনি। তাদের ঘাঁটি ব্যবহার করতে দেয়নি। কিন্তু এখন যে বিমানবাহী রণতরী পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তাকে একেবারেই আর গুরুত্ব দিতে চাইছেন না ট্রাম্প। বার্তায় বুঝিয়ে দিতে চেয়েছেন, দেরী হয়ে গিয়েছে অনেকটাই। এই প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, ইরান নিয়ে ওয়াশিংটন এবং লন্ডনের মধ্যে সম্পর্কে ইতিমধ্যেই মতপার্থক্য দেখা দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী স্টার্মার এর আগে ইরানে প্রাথমিক হামলা চালানোর জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ব্রিটিশ সামরিক ঘাঁটি ব্যবহার করার অনুমতি দেননি।
তিনি উলটে সংঘাত পরিস্থিতির বদলে শান্তির বার্তা দিয়েছিলেন। ট্রাম্প আবার তখনই মন্তব্য করেছিলেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী "উইনস্টন চার্চিল নন"। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী পরে বলেন যে ব্রিটেন ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনাগুলিতে "প্রতিরক্ষামূলক" হামলার জন্য ব্রিটিশ সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের জন্য মার্কিন অনুরোধে সম্মত হয়েছে, তবে জোর দিয়ে বলেন যে ব্রিটেন আক্রমণাত্মক পদক্ষেপে যোগ দেবে না। এদিকে, ব্রিটিশ যুদ্ধজাহাজ এইচএমএস ড্রাগন আগামী সপ্তাহে সাইপ্রাসের একটি সামরিক ঘাঁটি রক্ষার জন্য যাত্রা শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে বল তত্থ্য। এসবের মাঝেই সমানে এল ট্রাম্প-বার্তা।
