আজকাল ওয়েবডেস্ক: দাঁত দিয়ে ভাস্কর্য বানিয়ে ফেললেন মধ্য চীনের হুবেই প্রদেশের ২৫ বছর বয়সী এক তরুণী। নাম চেন কিন। শুধুমাত্র দাঁতের সাহায্যে বিশাল আকারের ভাস্কর্য খোদাই করেছে সে গাজরের গায়ে। একটি ভিডিওয় দেখা গেছে, মেয়েটিকে সাবধানে গাজর খেতে। বেশির ভাগ গাজরে কোনও কিছুর ব্যবহার ছাড়াই দাঁতের মাধ্যমে গাজরের গায়ে ভিন্ন শিল্পের আকার দিতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। কিন বলেছেন, তিনি কোনও ভাস্কর নন। স্কুল এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে গ্রাফিক ডিজাইন এবং থ্রিডি মডেলিং করেছেন। তবে ছোটবেলা থেকেই তাঁর আঁকার প্রতি টান ছিল। যা এখনও আছে।
তাঁর এই অস্বাভাবিক প্রতিভা সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করার পর ১.২ মিলিয়নেরও বেশি ভিউজ পেয়েছে। সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টে বলা হয়েছে, মেয়েটির সৃষ্টির মধ্যে ছোট প্রাণী ও কার্টুন চিত্র রয়েছে। সবচেয়ে আকর্ষণীয় আকারগুলির মধ্যে রয়েছে গ্রেট ওয়াল এবং হলুদ ক্রেন টাওয়ারের আকার। পাশাপাশি ফিনিক্স মুকুট এবং মিয়াও লোকদের দ্বারা বানানো ঐতিহ্যবাহী রূপালী টুপির মতো আকার দেওয়া জিনিসগুলিও রয়েছে।
একাধিক ভিডিওর মাধ্যমে গোটা প্রক্রিয়াটি দেখিয়েছেন কিন। দেখা গিয়েছে সে ধীরে ধীরে গাজরে একটু করে কামড় দিচ্ছেন। তাঁর কথায়, ‘২০২৫ সালে এই শিল্পকলা আমার মধ্যে এসেছিল।’ তিনি আরও বলেছেন, অলসভাবে গাজরটি চিবিয়ে খাচ্ছিলেন। আচমকাই তিনি লক্ষ্য করেন, খাওয়ার সময় গাজরটি ছোট ছোট আকারে ভাগ হয়ে গিয়েছে। গাজরের গায়ে দাঁতের মাধ্যমে ছোট আকারে কিছু জিনিস ফুটে উঠেছে। এখনও পর্যন্ত তিনি ১০০ টিরও বেশি গাজরের গায়ে ভাস্কর্য তৈরি করেছেন।
ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর দর্শকদের কাছে তা প্রমাণ করার জন্য তিনি জানিয়েছেন, যে গোপনে কোনও কিছুর ব্যবহার ছাড়াই নিজের আসল দাঁতের মাধ্যমে এই প্রতিভাটি সবার সামনে তুলে ধরেছেন। এমনকি তিনি নিজেকে ‘প্রথম দাঁত ভাস্কর’ হিসাবেও বর্ণনা করেছেন। পাশাপাশি তিনি এটাও বলেছেন, এই কাজের জন্য তিনি প্রায়শই দাঁতে এবং গালে ব্যথা অনুভব করেন। তাঁর চোয়ালে পরিবর্তনও লক্ষ্য করেছেন।
অনেক সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী তাঁর এই প্রতিভা দেখে অবাক হয়েছেন। কেউ কেউ মজা করে বলেছেন, যে দেখে মনে হচ্ছে তিনি তাঁর মুখের মধ্যে একটি থ্রিডি প্রিন্টার লুকিয়ে রেখেছেন।
















