আজকাল ওয়েবডেস্ক: বাংলাদেশ নির্বাচনে বিক্ষিপ্ত অশান্তি অব্যাহত। বৃহস্পতিবার সকালেই ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার পর মিরপুর–১০ আসনে জামাত ও বিএনপি সমর্থকদের সঙ্গে অশান্তির সৃষ্টি হয়েছিল।
দুপুর গড়াতেই জায়গা জায়গা থেকে আরও অশান্তির খবর আসতে শুরু করেছে। বড় ঘটনাটি ঘটেছে খুলনায়। ভোটকেন্দ্রে ধস্তাধস্তির সময় মারা যান এক বিএনপি নেতা। নিহতের নাম মহিবুজ্জামান কচি (৬০)। বৃহস্পতিবার সকালে তিনি ভোট দিতে যাওয়ার পর ভোটকেন্দ্রেই জামাত সমর্থকদের সঙ্গে বচসা ও ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন বলে অভিযোগ। অভিযোগ, সেই সময়েই জামাতের লোকেরা তাঁকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন। তাঁর মাথায় চোট লাগে। হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। যদিও ধস্তাধস্তির অভিযোগ অস্বীকার করেছে জামাত।
এবারের নির্বাচনে মূল লড়াই জামাত বনাম বিএনপি। ভারতীয় সময় বৃহস্পতিবার সকাল সাতটা থেকে শুরু হয়েছে ভোটগ্রহণ। চলবে বিকেল চারটে পর্যন্ত। দুপুর ১২টা পর্যন্ত সে দেশের ৩২,৭৮৯টি ভোটকেন্দ্রে ৩২.৮৮ শতাংশ ভোট পড়েছে। তবে বেলা গড়াতেই দিকে দিকে বিক্ষিপ্ত অশান্তির অভিযোগ উঠে আসতে শুরু করে। গোপালগঞ্জে বোমা বিস্ফোরণের অভিযোগ ওঠে। বিস্ফোরণে শিশু–সহ তিন জন জখম বলে খবর। জানা গিয়েছে, বিস্ফোরণে বাংলাদেশের আনসার বাহিনীর দুই সদস্য জখম হয়েছেন। এক ভোটারের সঙ্গে আসা শিশুও জখম হয় বিস্ফোরণে। দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ এলাকাতেও এক ভোটকেন্দ্রের বাইরে দুই গোষ্ঠীর মারামারির অভিযোগ উঠেছে। বিক্ষিপ্ত গোলমালের খবর মিলেছে রাজশাহীতেও।
সকালে প্রথম গোলমালের খবর মেলে মিরপুরে। ভোটের দুই মূল প্রতিদ্বন্দ্বী দল জামাত ও বিএনপি’র সমর্থকদের মধ্যে মিরপুরে তর্ক থেকে বচসা হয়। প্রসঙ্গত, ঢাকার মিরপুর–১০ আসন থেকে লড়াই করছেন জামাত প্রধান শফিকুর রহমান।
এটা ঘটনা, ভোটের আগের রাত থেকেই কোথাও ভোটকেন্দ্রের কাছে বোমাবাজি, কোথাও রাজনীতিকদের বাড়ি লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠে এসেছে। কুপিয়ে জখম করার অভিযোগও উঠেছে। এক সংখ্যালঘু যুবককে খুনের অভিযোগও উঠেছে। জামাতের বিরুদ্ধে ভোটের আগের রাতে ভোট করানোরও অভিযোগ রয়েছে।
