আজকাল ওয়েবডেস্ক: ওয়াকি-টকিতে বিস্ফোরণ। এর জেরে প্রাণ হারালেন নয় জন। আহত তিনশো জনেরও বেশি। এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেই সূত্রে খবর। ঘটনাটি ঘটেছে বেইরুট সহ দক্ষিণ লেবাননজুড়ে। সংবাদসংস্থাকে জানানো হয়েছে, এই ঘটনায় অন্তত ৩০ টি অ্যাম্বুলেন্স মোতায়েন করা হয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার হিজবুল্লাহদের কাছে থাকা পেজার বিস্ফোরণে লেবাননে অন্তত ১২ জন নিহত হন। এতে আহত হন প্রায় তিন হাজার লোক। আহতদের মধ্যে ছিলেন হিজবুল্লাহর সদস্য, মেডিকেল কর্মী এবং ইরানের রাষ্ট্রদূত।পরপর দুই দিন ধরে লেবাননে এই ভয়ংকর হামলার ফলে, হিজবুল্লাহ গোষ্ঠী এবং ইজরাইলের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। দ্রুত বৈঠক ডাকা হয়েছে জাতিসংঘের।
এই ওয়াকি-টকি বিস্ফোরণ যে জায়গাগুলোতে হয়েছে সেখানগুলো জঙ্গী সংগঠন হিজবুল্লার শক্ত ঘাঁটি, এমনটাই জানিয়েছে, ইসরায়েলের গুপ্তচর সংস্থা মোসাদ। যদিও কতগুলো ওয়াকি-টকি বিস্ফোরণ হয়েছে তা এখনও জানা যায়নি। পূর্ব লেবাননের বিভিন্ন স্থানে ল্যান্ডলাইন টেলিফোন বিস্ফোরণেরও খবর পাওয়া গেছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, ওয়্যারলেস রেডিও ডিভাইস এবং ওয়াকি-টকিগুলি প্রায় পাঁচ মাস আগে কেনা হয়েছিল, প্রায় একই সময়ে কেনা হয়েছিল পেজারগুলিও। ওয়াকি-টকি হামলা হওয়ার আগে, মঙ্গলবারের পেজার বিস্ফোরণের জন্য সরাসরি ইজরাইলকেই দায়ী করেছিল হিজবুল্লাহ গোষ্ঠী।
ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহ জানিয়েছিল, যে পেজার বিস্ফোরণে লেবাননে তাঁর হাজার হাজার সদস্য আহত হয়েছে। ইরানের তরফে জানানো হয়েছে, নিহত কিংবা আহতদের আঘাতের বেশিরভাগই মুখে, হাতে ও পেটে। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, যে লেবাননে তার রাষ্ট্রদূত মোজতাবা আমানিও মঙ্গলবারের পেজার ঘটনায় আহত হয়েছেন।
প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, পেজারগুলি তাইওয়ানের একটি সংস্থা তৈরি করেছিল, যদিও তারা সেটি অস্বীকার করে। আরেকটি রিপোর্ট বলছে, ডিভাইসগুলি হাঙ্গেরির রাজধানী বুদাপেস্টে অবস্থিত একটি কোম্পানি তৈরি করেছে।
এই হামলার তীর উঠেছে হিজবুল্লাহর দিকে। যদিও জঙ্গি সংগঠন দায় স্বীকার করেনি, উল্টে দাবি করেছে, এই হামলার জন্য সম্পূর্ণ দায়ী ইসরায়েল।
















