আজকাল ওয়েবডেস্ক: গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা। সেই কারণেই শিক্ষা দপ্তরের আধিকারিক, শিক্ষকদের নিয়ে বৈঠকে বসেছিলেন জেলা শাসক। কিন্তু বৈঠক শুরুর পরেই ঘটল বিপত্তি। আচমকা ভার্চুয়াল বৈঠকের স্ক্রিনে চলল পর্ন ভিডিও। সঙ্গে সঙ্গেই তুমুল হইচই। বিষয়টি বাইরে আসতেও তুমুল আলোচনা যোগী রাজ্যের ঘটনা নিয়ে।
উত্তর প্রদেশের মহারাজগঞ্জে শিক্ষা বিভাগের একটি অনলাইন বৈঠকে অজ্ঞাতপরিচয় একজন অংশগ্রহণকারী স্ক্রিন শেয়ার করতেই সকলের সামনে ফুটে ওঠে ওই নীল ছবি। সর্বভারতীয় সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর তেমনটাই।
আরও পড়ুন: ‘বাড়িতে নয়, যা হবে ক্লাসের মধ্যেই’, শিক্ষকদের মুখে এই কথা শুনেই চমকে উঠল পড়ুয়ারা
৭ আগস্ট, জুম কলে ওই বৈঠক বসে বলে জানা যায়। বৈঠকটি ডেকেছিলেন জেলাশাসক সন্তোষ কুমার শর্মা। শিক্ষা দপ্তরের আধিকারিক, সরকারি স্কুলের প্রধান শিক্ষক এবং অন্যান্য শিক্ষকদের ওই বৈঠকে ডাকা হয়েছিল। স্কুল সম্পর্কিত একাধিক বিষয়ে জন সাধারণ এবং জেলা প্রশাসনের মধ্যে সরাসরি সংযোগকে তরান্বিত করতেই ওই বৈঠক ডাকা হয়েছিল।
জানা গিয়েছে, ভার্চুয়াল ওই বৈঠকে জ্যাসন জুনিয়র নামের এক ব্যক্তি যোগ দিয়েছিলেন। তিনি নিজের স্ক্রিন শেয়ার করতেই ঘটে বিপত্তি। জানা গিয়েছে ওই বৈঠকে আর্জুন বলেও একজন ব্যক্তি যোগ দিয়েছিলেন। তিনিও অকারণেই বৈঠকের মাঝে অশ্রাব্য মন্তব্য করেছিলেন বলে জানা গিয়েছে।
বেসিক এডুকেশন অফিসার ঋদ্ধি পান্ডে এবং ব্লক এডুকেশন অফিসার সুদমা প্রসাদ ৯ আগস্ট কতোয়ালি থানায় দু' জনের নামে অভিযোগ
দায়ের করেন। সদর কোতোয়ালির এসএইচও সত্যেন্দ্র রায় বলেন, সাইবার পুলিশের সহায়তায় বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। রায় আরও বলেন, পুলিশ অপরাধীদের শনাক্ত করার জন্য প্রযুক্তিগত উপায় ব্যবহার করছে। সঙ্গেই খোঁজ চলছে, কীভাবে জেলা শাসকের ভার্চুয়াল বৈঠকে ঢুকে পড়লেন অজ্ঞান পরিচয় ব্যক্তিরা। কোন উদ্দেশ্যে, কেনই বা ঢুকলেন, আর কী কী পরিকল্পনা ছিল, পুলিশ উত্তর খুঁজছে নানা প্রশ্নের।
এর আগে, ২০২০ সালে একটি ঘটনা সামনে আসে। ঘটনাস্থল থাইল্যান্ডের পার্লামেন্ট। সেখানে তখন চলছিল বাজেট বক্তৃতা। জানা যায়, ওই বাজেট বক্তৃতা হওয়ার সময়, সেখানকার সাংসদ রোনাথেপ আনুওয়াত, বাজেটের কথা মন দিয়ে শোনার বদলে, নীল ছবি দেখায় ব্যস্ত ছিলেন। জানা যায়, একেবারে টানা দশ মিনিট তিনি ওই নীল ছবি দেখায় ব্যস্ত ছিলেন। পার্লামেন্টের ভিডিওতে তা ধরা পড়ে।
২০২২ সালেও এই ধরনের এক ঘটনা সামনে আসে। সংসদ কক্ষে বসে নীল ছবি দেখার অভিযোগ ওঠে ব্রিটিশ সাংসদের বিরুদ্ধে। ওই সাংসদের নাম নীল প্যারিস। তিনি যদিও সাফাই দিয়েছিলেন, অন্য ভিডিও দেখতে গিয়ে, ভুল করে তাঁর ফোনে ওই ভিডিও চলে গিয়েছিল। তিনি আবার পরে স্বীকার করেছিলেন, ওই ভিডিও একবার ভুল করে দেখে ফেলার পর, ইচ্ছ্বাকৃতভাবে তিনি পরে আবার একাধিকবার ওই ভিডিও দেখেন।
