আজকাল ওয়েবডেস্ক: সোশ্যাল মিডিয়ায় রিলে বুঁদ নাবালিকা। ফলোয়ার বাড়াতে করে বসল মারাত্মক কাণ্ড। নাবালিকা হিন্দু দেবতাদের বিরুদ্ধে অবমাননাকর মন্তব্য করে একটি রিল পোস্ট করে। এরপরই সমাজ মাধ্যমে প্রতিবাদের ঝড় বয়ে যায়। অভিযোগ জমা পড়ে পুলিশের কাছে। শেষমেষ অভিযুক্ত নাবালিকাকে ডিটেনশন হোমে পাঠিয়েছে পুলিশ। গ্রেপ্তার করা হয় নাবালিকার বাবা-মা'কে।
ঘটনাটি উত্তর প্রদেশের। প্রায় এক মিনিটের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। সেই ভিডিও গত ২৭শে অক্টোবর পোস্ট করা হয়েছিল। ভিডিও-টিতে দেখা যাচ্ছে যে, নাবালিকা তাঁর বানানো রিলে হিন্দু দেবতাদের বিরুদ্ধে মন্তব্য করছেন।
ক্লিপটি দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়, অনেক সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী এর আপত্তি জানান এবং পুলিশকে বিষয়টিতে হস্তক্ষেপের দাবি জানানো হয়। একাধিক হিন্দু সংগঠন, মেয়েটি এবং তার পরিবারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে।
কেন এমন করল ওই নাবালিকা? পুলিশের দাবি, ইনস্টাগ্রামে ফলোয়ার বাড়াতেই এই ঘৃণ্য কাজ করেছে সে। পুলিশের কাছে নাকি দোষ কবুল করেছে মেয়েটি। পুলিশ, নাবালিকা মেয়েটিকে ডিটেনশন হোমে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে তার বাবা-মাকে। ভিডিও সম্পর্কে নাবালিকার বাবা-মা সব জানলেও তা গোপন করেছিলেন তাঁরা। এই অভিযোগেই, তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়াও, বর্তমানে পলাতক আরেক ব্যক্তির বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশের এক শীর্ষ আধিকারিকের কথায়, "নাবালিকা মেয়েটি হিন্দু দেবদেবীদের বিরুদ্ধে মন্তব্য করেছিল। তার বাবা-মা এই বিষয়ে জানতেন, এবং আরও বেশ কয়েকজন লোক এতে জড়িত ছিলেন। মেয়েটি সোশ্যাল মিডিয়ায় দর্শক এবং ফলোয়ার বাড়াতে চেয়েছিল। আমরা তার বাবা-মাকে গ্রেপ্তার করেছি। আমি ভিডিওটি ভাইরাল না করার জন্য সকলকে অনুরোধ করছি। যারা ভিডিওটি শেয়ার করবে তাদের বিরুদ্ধেও আমরা কঠোর ব্যবস্থা নেব।"
কিশোরীর পুলিশের কাছে দোষ স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছে, সেই ভিডিও-টিও প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে মেয়েটিকে বলতে সোনা যাচ্ছে, "ভিডিওটি তৈরি করে আমি ভুল করেছি। আমি ক্ষমা চাইছি। আমি আর কখনও এমন ভুল করব না। আমি সকলকে অনুরোধ করছি ভিডিওটি ভাইরাল না করার জন্য।"
