আজকাল ওয়েবডেস্ক: তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদের পদ থেকে ইস্তফা দিলেন প্রসার ভারতীর প্রাক্তন সিইও জহর সরকার। যদিও তিনি কোনোদিনই সেভাবে সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা ব্যানার্জিকে চিঠি একথা জানিয়েছেন জহরবাবু। জানা গিয়েছে, আগামী সপ্তাহে দিল্লি গিয়ে রাজ্যসভার চেয়ারম্যানের কাছে ইস্তফাপত্র দিয়ে আসবেন।

 

 

রাজ্যসভার সাংসদ হিসাবে তিন বছর কাজের সুযোগ দেওয়ার জন্য মমতাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন জহর। ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনে জিতে ক্ষমতায় আসার পর জহর সরকারকে রাজ্যসভায় পাঠিয়েছিল তৃণমূল সরকার। তবে চিঠিতে রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে সরব হয়েছেন তিনি। তাঁর দাবি, আরজি কর হাসপাতালের ঘটনার পর বাংলার মানুষের রাজ্য সরকারের প্রতি অনাস্থা তৈরি হয়েছে।

 

 

 

সরকারের তরফে কোনও বিবৃতি দেওয়া হলেও সাধারণ মানুষ সেটাকে ভাল ভাবে নিচ্ছে না। মুখ্যমন্ত্রী কেন আগের মত ঝাঁপিয়ে পড়ে ঘটনার দ্রুত সমাধান দাবি করছেন না সেই প্রশ্নও করেছেন জহরবাবু। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় যখন পার্থ চ্যাটার্জি গ্রেপ্তার হয়েছিলেন তখনও সরব হয়েছিলেন জহর। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে খানিকটা হতাশ হয়েই এই ইস্তফা এমনটাই জানিয়েছেন প্রাক্তন প্রসার ভারতী সিইও।

 

জহর সরকারের ইস্তফার পর তাঁকে কটাক্ষ করে টুইট করেছেন দেবাংশু ভট্টাচার্য। তিনি লিখেছেন, 'যুদ্ধের পর যাঁরা পালায় কিংবা গা বাঁচিয়ে চলে, ইতিহাস তাঁদের লজ্জার নজরে দেখে।' মুখ খুলেছেন কুণাল ঘোষও। আগামী দিনের জন্য জহর সরকারকে শুভেচ্ছা জানালেও চিন্তার সুর শোনা গিয়েছে তাঁর গলায়।