আজকাল ওয়েবডেস্ক: ল্যাপটপগুলো কোথায় যাচ্ছে? চিন্তায় পড়ে যায় ছাত্ররা। সম্প্রতি বেঙ্গালুরুতে পিজি আবাসনগুলি থেকে ল্যাপটপ চুরির অভিযোগে তামিলনাড়ুর দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, অভিযুক্তদের কাছ থেকে প্রায় ৪০ লক্ষ টাকা মূল্যের মোট ৪৮টি ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তদের নাম গৌতম (৩০) ও রাজাদোরাই (৩৩)। এদের মধ্যে গৌতম ল্যাপটপ সারাইয়ের কাজ করে এবং রাজাদোরাই অটোচালক। রাজাদোরাইয়ের বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক মামলা রয়েছে।
গত ডিসেম্বর মাসে ইলেকট্রনিক সিটি থানায় এক যুবকের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। ওই যুবক জানান, নভেম্বর মাসের শেষ দিকে এক রাতে তাঁর পিজির ঘরের দরজা খোলা থাকায় সেখান থেকে তিনটি ল্যাপটপ চুরি হয়ে যায়। এরপরই সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে রাজাদোরাইকে পাকড়াও করে পুলিশ। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে গৌতমের হদিস মেলে।
জেরায় জানা গিয়েছে, রাজাদোরাই পিজির খোলা ঘর থেকে একের পর এক ল্যাপটপ চুরি করত। এরপর সেই ল্যাপটপগুলি সে তার সঙ্গী গৌতমকে দিয়ে দিত। গৌতম ল্যাপটপগুলি ফরম্যাট করে নতুনের মতো সাজিয়ে বাজারে বিক্রি করে দিত। মূলত যে সব পিজিতে নিরাপত্তা কম, সেগুলিকে লক্ষ্য করেই এই কারবার চালাত তারা। বর্তমানে অভিযুক্তদের পুলিশি হেফাজতে নিয়ে জেরা করা হচ্ছে। শহরের অন্যান্য চুরির ঘটনায় এদের যোগ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
অন্যদিকে, রাজস্থানের কোটায় যেন হুবহু সিনেমার চিত্রনাট্য! গৃহস্থের বাড়িতে চুরি করতে ঢুকে রান্নাঘরের একজস্ট ফ্যানের গর্তে আটকে পড়লেন এক চোর। পা থেকে কোমর পর্যন্ত ভেতরে, বাকিটা বাইরে- এই অবস্থায় প্রায় ঘণ্টাখানেক অসহায় ভাবে ঝুলে থাকতে হল তাঁকে।
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ৩ জানুয়ারি সুভাষকুমার রাওয়াত তাঁর পরিবার নিয়ে বাইরে ঘুরতে গিয়েছিলেন। খাটুশ্যামজি ভ্রমণে গিয়েছিলেন সপরিবারে৷ ৪ জানুয়ারি রাত ১টা নাগাদ তাঁরা যখন বাড়ি ফেরেন, তখন সদর দরজায় স্কুটারের হেডলাইটের আলো পড়তেই চক্ষু চড়কগাছ রাওয়াত দম্পতির। তাঁরা দেখেন, রান্নাঘরের দেওয়ালের একজস্ট ফ্যানের ফাঁকে অদ্ভুত ভাবে আটকে রয়েছেন এক ব্যক্তি।
পুলিশ সূত্রের খবর, চুরির মতলবেই ওই ব্যক্তি বাড়িতে ঢোকার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু একজস্ট ফ্যানের সরু গর্ত দিয়ে গলতে গিয়েই ঘটে বিপত্তি। কোমর অবধি ঢোকার পর তিনি সেখানে এমন ভাবে আটকে যান যে, আর নড়ার উপায় ছিল না। বাড়ির মালিকের আসার শব্দ পেয়ে তাঁর সঙ্গী তাঁকে ফেলে রেখেই চম্পট দেয়।
চিৎকার-চেঁচামেচিতে পাড়া-প্রতিবেশীরা জড়ো হন বাড়িতে। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চলে এই টানটান নাটক। পরে পুলিশ এসে ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে গ্রেপ্তার করে। জানা গিয়েছে, লোকচক্ষুর আড়ালে থাকতে ওই চোরেরা পুলিশের স্টিকার লাগানো একটি গাড়ি নিয়ে এসেছিল। পলাতক সঙ্গীর খোঁজে ইতিমধ্যেই তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। পাশাপাশি এই চক্রটি এলাকার আর কোনও চুরির ঘটনার সঙ্গে যুক্ত কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
